Sunday 24 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

সরকার চায় ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৪ মে ২০২৬ ১৫:৫১

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা – ছবি : কোলাজ

ঢাকা: বন্দি বিনিময় চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত ফেরত পাঠাবে বলে আশা প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আমরা তো চাই তিনি দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হোন।

রোববার (২৪ মে) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন তিনি দেশে আসবেন, বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে জানতে পেরেছি ওনার ট্রাভেল পাস চাওয়ার ক্ষেত্রে আলোচনা হচ্ছে—এ ব্যাপারে আপনাদের প্রস্তুতি বা কোনো তথ্য আছে কি না- জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমি আরও অনেক আগে বলেছি। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে তার এক্সট্রাডিশনের (প্রত্যর্পণ) জন্য চিঠি পাঠিয়েছি অনেক আগে, রিপিটেডলি। আমরা এখনো চাই আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তিনি এক্সট্রাডিশন চুক্তি ইন বিটুইন (দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী) মানে এক্সট্রাডিশন ট্রিটি ইন বিটুইন টু কান্ট্রিস (দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি) এই বিধান মতে ভারত সরকার তাকে ফেরত পাঠাবেন। আমরা তো চাই তিনি বিচারের মুখোমুখি হোন।

বিজ্ঞাপন

অনলাইন জুয়া কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য আলাদা একটি আইন প্রণয়ন হচ্ছে বলেও জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আশা করি ইনশাআল্লাহ আগামী সেশনে সেই আইনটা আমরা পাবো। এখন পর্যন্ত যে আইনটা আছে সেটা একদম মান্ধাতার আমলের। ১৮৬৭ সালের বোধ হয় একটা আইন আছে। অনলাইন-অফলাইন জুয়া, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যাটিংসহ সব ধরনের অপরাধকে এড্রেস করে আগের আইনটাকে আমরা যুগোপযোগী একটা আইনে আনতে পারবো।

পাসপোর্ট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাসপোর্টে আগেরমতো একসেপ্ট ইসরাইল শব্দটা যুক্ত করবো। এটা বাংলাদেশের গণমানুষের চাহিদাও বটে। পাসপোর্টে আরও বিভিন্ন বিষয় ভেতরে যেমন ভেতরে ভিসা পেজ থাকে সেগুলোর মধ্যে একটা ব্যক্তিতান্ত্রিক চর্চা লক্ষ্য করেছি। যেটা বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগণের এবং কালচারকে প্রতিনিধিত্ব করে না। আমরা দেশের মানুষের চাহিদা অনুসারে সাজানোর চেষ্টা করেছি। যেমন ভবিষ্যতে মুদ্রার মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠদের চেহারা দেখতে পাবেন। একই সাথে আমরা পাসপোর্টে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ধারণ করতে চাই। আরও অনেক বিষয় আছে যেমন টাঙ্গুয়ার হাওর, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতকে নির্মোহভাবে উপস্থাপন করতে চাই।

রি-কনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা ৩১ দফার মধ্যে একটি দফা রেখেছিলাম যে, ভবিষ্যতে একটা রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠন করার উদ্যোগ নেব। সেই জায়গাতে আমরা এখনো আছি। কিন্তু সেটা এখনই করা হবে কি না- সে বিষয়টি আমরা বিবেচনায় রাখিনি। কারণ এখন আমাদের প্রায়োরিটির মধ্যে আরও অনেকগুলো কাজ আছে। যখন প্রয়োজন হবে তখন গঠনের উদ্যোগ নেব।

বিএসআরএফ’র সভাপতি মাসউদুল হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।

বিজ্ঞাপন

তুমি কবি তুমি সিপাহি
২৪ মে ২০২৬ ১৬:৪৬

আরো

সম্পর্কিত খবর