Tuesday 02 Jun 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

রামিসা হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে সাক্ষীদের জবানবন্দিতে: পিপি

স্টাফ করেসপন্ডেট
২ জুন ২০২৬ ১৪:৫৮

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদালতের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে বিরতির সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

পিপি ওমর ফারুক ফারুকী জানান, নিহত রামিসার বাবা-মা, বড় বোন, প্রতিবেশীসহ ঘটনাসংশ্লিষ্ট একাধিক সাধারণ সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে ঘটনার ধারাবাহিকতা, ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি এবং পরবর্তী বিভিন্ন বিষয় আদালতের সামনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, যেসব সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তারা মামলাটি প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করেছেন। আসামিপক্ষ তাদের জেরা করলেও সাক্ষীদের মূল বক্তব্য খণ্ডন করতে পারেনি। তারা নিজেদের জানা ও দেখা বিষয়গুলো আদালতের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী আরও বলেন, পাবলিক সাক্ষীদের জবানবন্দির মাধ্যমে মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ আদালতের সামনে এসেছে। তবে এখনো বেশ কয়েকজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ বাকি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদেরও আদালতে হাজির করা হবে।

সাক্ষ্যগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ মামলার সকল সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য সমন জারি করেছে। আইন অনুযায়ী সমনপ্রাপ্ত কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হলে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, যতজন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হবেন, রাষ্ট্রপক্ষ তাদের সাক্ষ্য উপস্থাপন করবে। একইসঙ্গে আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও তাদের আইনি দায়িত্ব পালন করে সাক্ষীদের জেরা করছেন।

পিপি ওমর ফারুকের ভাষ্য, মঙ্গলবার সাক্ষ্য দেওয়া ব্যক্তিদের জবানবন্দিতে ঘটনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে। আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।

এর আগে সকালে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিনের শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণও ধারাবাহিকভাবে চলবে।