পাবনা: পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ ঘরের বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় চাম্পা খাতুন (২২) নামে এক নারীর অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির উদ্দিন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চার থেকে পাঁচ দিন আগে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
চাম্পা খাতুন শিবপুর গ্রামের আসলাম হোসেনের স্ত্রী। তার স্বামী মালয়েশিয়া প্রবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পাশের বাড়ির লোকজন ওই বাড়ির আশপাশে দুর্গন্ধ পান। পরে বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজ ঘরের বৈদ্যুতিক পাখার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় চাম্পা খাতুনের মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাম্পা খাতুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। স্থানীয়দের ধারণা, চার থেকে পাঁচ দিন আগে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিন মেম্বার বলেন, সকালে পাশের বাড়ির লোকজন দুর্গন্ধ পেয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে চাম্পা খাতুনের মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি জানান, চাম্পা খাতুন কিছুদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে পরিবার ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আটঘরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।