।। সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ।।
ঢাকা: ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হলো বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন।
শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ও বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মার নেতৃত্বে ২০ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা প্রসঙ্গে একাধিকবার আলোচনা হলেও বন্ধ হয়নি সীমান্তে হত্যা- বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজিবি মহাপরিচালক। তিনি বলেন, সীমান্তে হত্যা এড়াতে নন-লেথাল (প্রাণঘাতি নয়) অস্ত্র ব্যবহার করছে বিএসএফ সদস্যরা। তারপরও শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা যায়নি।
এ সময় সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের প্রতিরোধ করায় বিএসএফ মহাপরিচালক বিজিবি’র প্রশংসা করেন। এই বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা দিতে অনুরোধ জানান তিনি। বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ কখনো তার ভূমি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করতে দেবে না।
সীমান্ত সম্মেলনে মানবপাচার নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, মানবপাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা অব্যহত থাকবে। পাশাপাশি পাচারের শিকার নাগরিকদের দ্রুত উদ্ধার ও পুনর্বাসনে নিজ নিজ দেশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ও ভারত। মুদ্রা-জাল মুদ্রা পাচার রোধে সহযোগিতা করায় বিজিবি’র প্রশংসা করেন বিএসএফ মহাপরিচালক।
মহাপরিচালক পর্যায়ের পরবর্তী সীমান্ত সম্মেলন ২০১৯ সালের মার্চ অথবা এপ্রিল মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিন (শুক্রবার) বিজিবি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সারাবাংলা/ইউজে/এটি