স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর হাকিম মাহামুদুল হাসানের আদালত এই আদেশ দেন।
এর আগে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয় থেকে তাকে আদালতে আনা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান পুলিশ প্লাজার সামনে থেকে রমনা থানায় দায়ের করা এক মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ঈদগাহ ময়দান গেটের সামনে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
একই মামলায় ৩৬ জনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। চকবাজার থানার বিএনপি নেতা শফিক উদ্দিন আহম্মেদ জুয়েলের রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে একদিনের মধ্যে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার, মহসিন মিয়া, ইকবাল হোসেন প্রমুখ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের শুনানি করেন। আর গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের জামিনের আবেদন করেন।
জামিন শুনানিতে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পক্ষে তারা বলেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। আমরা তার পক্ষের জামিনের জন্য আবেদন করছি।
অপর আসামিদের রিমান্ড শুনানিতে তারা বলেন, খালেদা জিয়া বকশীবাজারের আদালতে হাজিরা দিতে যান। তাকে দেখার জন্য লোকজন রাস্তায় দাঁড়াতে পারে। পুলিশ তাদের জোর করে ধরে নিয়ে মামলা দিচ্ছে।
তারা আরও বলেন, খালেদা জিয়ার অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের তারিখ ধার্য আছে ৮ ফেব্রুয়ারি। রায়েকে কেন্দ্র করে প্রতিটি থানায় গণগ্রেফতার শুরু হয়েছে। তাদের গ্রেফতার করে হয়রানি করার জন্য মামলা দেওয়া হচ্ছে। এখানে রিমান্ডের কোনো যৌক্তিকতা নেই। আমরা তাদের জামিনের মঞ্জুরের প্রার্থনা করছি। আর জামিন না দিলে তাদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন এবং ৩৬ জনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সারাবাংলা/এআই/এনএস