ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বান্দরবান: মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ কারণে সীমান্তে ফাঁকা গুলি ও সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। বাংলাদেশের বিরোধীতা তাদের লক্ষ্য নয়। মিয়ানমারের সঙ্গে পতাকা বৈঠক শেষে বিজিবি ৩৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল আহসান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মিয়ানমার আশ্বস্ত করেছে শূন্যরেখায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তারা জানিয়েছে, মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় সেনা-সদস্য বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে আনা হয়েছে ভারী অস্ত্রশস্ত্র, জোরদার করা হয়েছে টহলও- তা সম্পূর্ণ নিজস্ব বিষয়।
https://www.youtube.com/watch?v=3GzVTthVeSg&feature=youtu.be
তারা সীমান্তে শূন্যরেখায় ফাঁকা গুলি ছোড়ার ঘটনাটি অস্বীকার করেছে। গুলি ছোড়া হয়েছে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে- শূন্যরেখায় নয়। মঞ্জুরুল আহসান খান জানান, বিজিবির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, আগামীতে ফাঁকা গুলি ছোড়ার আগে বিজিবি’কে অবহিত করতে বলা হয়েছে এবং মিয়ানমার তাতে একমত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সীমান্তে বাংলাদেশ-মিয়ানমার দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়। বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত প্রায় দেড়ঘণ্টা চলে বৈঠকটি। এতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাত সদস্যের বিজিবি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ৩৪ নম্বর ব্যাটালিয়ানের কমান্ডার লে. কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান অন্যদিকে মিয়ানমারের পক্ষে সাত সাত সদস্যের প্রতিনিধির নেতৃত্ব দেন ব্যাটেলিয়ান কমান্ডার সু চায়ে হু।
এর আগে বৈঠকে অংশ নিতে ঘুমধুম বিজিবি ক্যাম্প থেকে পায়ে হেঁটে বিজিবি’র সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তমব্রু সীমান্তের বাংলাদেশ-মিয়ানমার সংযোগ সড়কের মৈত্রী লালব্রিজ এলাকায় যায়।
মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীর একটি প্রতিনিধি দলটিও পায়ে হেঁটে দু’দেশের সীমান্ত মধ্যেবর্তী স্থানে পৌঁছায়।
সারাবাংলা/এটি