Thursday 14 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ভাঙা সেতু দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল


২০ মার্চ ২০১৮ ০৯:২১ | আপডেট: ৫ নভেম্বর ২০১৮ ২০:১৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জাহিদুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট

কুড়িগ্রাম: সেতুর মাঝখানের স্লাব ভেঙে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দুই পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। চলতে গিয়ে ছোট ছোট দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে স্থানীয় লোকজন। দুর্ঘটনার ভয়ে অনেকে সেতু এড়িয়ে বিকল্প পথে যাতায়াত করছে। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর দিগদারী বিলের উপর সেতুটি দিয়ে ১০ বছর এ ভাবেই চলাচল করছে স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নাগেশ্বরীর ‘দিগদারী কাঠের ব্রিজ’ নামে খ্যাত সেতুটির বেহাল অবস্থা। সেতুর স্লাবের মাঝের অংশটা ভেঙে রড বেরিয়ে আছে। দুই পাশের রেলিংও ভাঙা। ১০ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে সেতুর উভয় পাড়ের মানুষ। উপজেলা শহরের যাতায়াতের সেতুটি বেহাল হওয়ার কারণে অনেকে বিকল্প রাস্তায় যাতায়াত করছে। সেতু দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে ঘটছে ছোট দুর্ঘটনা। সেতুটি পুননির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ কোন উদ্যোগ নেয়নি।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় দিগদারী জামে মসজিদের ঈমাম আজগার আলী জানান, কালীগঞ্জ ইউনিয়নের ১৬টি ও ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ৩টি গ্রামের প্রায় ৩৫-৪০হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার হচ্ছে। সেতুর পাটাতন ও রেলিং ভাঙার কারণে মাঝে মাঝে দুর্ঘটনা ঘটছে।

ঝাকুয়াবাড়ি গ্রামের রিকশা চালক সোলদার আলী জানান, সেতুটি ভাঙা থাকার কারণে রিকশা নিয়ে চলাচল করা যায় না। দুই মাইল ঘুরে উপজেলা শহরে যেতে হয়।

ভিতরবন্দ ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দার হোসাইন জানান, সেতুটি দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে আসা-যাওয়া যায় না। দীর্ঘদিন সেতুটি অকেজো হয়ে আছে। এতে করে স্থানীয়দের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

কলেজছাত্র আরিফুল ও মশিউর জানান,দুর্ঘটনার ভয়ে শিক্ষার্থীরা সেতুর পাশ দিয়ে চলাচল করেন। আগামী বর্ষার আগেই সেতুটি নির্মাণের দাবি জানায়।

কালীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ব্যাপারী জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সেতুটি মেরামতের জন্য উপজেলা পরিষদ এর মিটিংয়ে কয়েকবার প্রস্তাব জানানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলী ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল বিভাগের নাগেশ্বরী উপজেলা প্রকৌশলী বাদশা আলমগীর জানান, দিগদারী বিলের উপর একটি বড় ব্রিজ করার জন্য প্রাক্কলন তৈরি করে অনুমোদনের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বিল পাস হয়ে এলে দরপত্র আহবান করা হবে।

সারাবাংলা/ এমএইচ