ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
সিলেট : সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজারের নিজ বাড়ির কবরস্থানে চিরঘুমে রয়েছেন বীরপ্রতীক কাঁকন বিবি। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বৃহস্পতিবার এ মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে বিকাল ৩ টায় স্থানীয় লক্ষীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পুলিশের একটি দল কাকন বিবিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
জানাযায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান, দোয়ারাবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বীর প্রতীক, দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মহুয়া মমতাজ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা বেগম, সহকারী পুলিশ সুপার দোলন মিয়া, হাওর বাঁচাও-সুনামগঞ্জ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা বজলুল মজিদ খসরু, আব্দুল মজিদ বীর প্রতিক, আব্দুল হালিম বীর প্রতীক, মুক্তিযোদ্ধ ইউনিট কমান্ডের সাবেক কমান্ডার নুরুল মোমেন, লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল হক, বোগলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম জুয়েল, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমদ চৌধুরি।
এদিকে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু বরণের পর কাঁকন বিবির জানাজা দোয়ারাবাজারে জনতার ঢল নামে। সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জানাজার আগে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, স্বাধীনতার মাসে আমরা একজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হারিয়েছি। তার খেতাবটি গেজেট আকারে হয়নি। কিন্তু আমরা সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক শোনার পর থেকেই আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গেও কথা বলেছি।
আরও পড়ুন
চলে গেলেন মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি
কাঁকন বিবির মরদেহ হস্তান্তর, বিকেল ৪টায় দাফন
সারাবাংলা/এমএস