Thursday 14 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

‘জিয়া ছিলেন স্বৈরাচারী, বিনা বিচারে ফাঁসি দিতেন’


২৫ মার্চ ২০১৮ ১৪:৫৪ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৮ ১৫:২০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: জার্মান ভিত্তিক গবেষণাকে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়া ছিলেন স্বৈরাচারী শাসক, বিনা বিচারে তিনি মানুষকে ফাঁসি দিতেন। কারফিউ দিয়ে দেশ তিনি দেশ চালাতেন।

রোববার (২৫ মার্চ) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অডিটরিয়ামে ‘এলডিসিভুক্ত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের এত উন্নয়নের পরও বিএনপি উন্নয়ন দেখে না। এলডিসিভুক্ত দেশ থেকে উত্তরণে আমরা উদযাপন করেছি। বিশ্বের সবাই এটার প্রশংসা করেছে। কিন্তু বিএনপি এটা নিয়েও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। বিএনপি উন্নয়ন দেখে না। বিএনপির নেতা মওদুদ আহমদ বলেন, তারা নাকি ক্ষমতায় থাকলে ১০ বছর আগেই এটা অর্জন করত। কিন্তু আমরা দেখেছি বিএনপির সময় দেশের উন্নয়ন কী হয়েছে। উন্নয়ন হয়েছে হাওয়া ভবনের।’

বিজ্ঞাপন

নৌপরিবহন সেক্টরে অর্জিত সাফল্য, চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আব্দুস সামাদ।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, যতই উৎপাদন হোক না কেন, সেটা যদি যথাযথভাবে পরিবহন না করা যেত তাহলে উন্নয়নের এ সুফল পাওয়া যেত না।

তিনি বলেন,দেশে এত উন্নয়ন হচ্ছে এলডিসিভুক্ত দেশ থেকে বাংলাদেশ উত্তরণ হয়েছে এ চমৎকার উন্নয়ন যা ধরা যায় ছোঁয়া যায়। সবাই এ উন্নয়নের সুফল দেখলেও বিএনপি দেখছে না। বিএনপির চোখে ছানি ধরেছে এ জন্য তারা দেখতে পান না। তবে এ উন্নয়নের সুফল সবার মতো বিএনপিও ভোগ করছে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, গত ৯ বছরে একটা করে স্থলবন্দর নির্মাণ করেছি। এই মেয়াদে ফেরির সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। আমরা ১৪টা ড্রেজিং সংগ্রহ করেছি আরও ২০টি করব। গত ৩৮ বছরে ২০টি ফেরি ছিল গত মেয়াদে ১৭টি ও এ মেয়াদে ১২টি ফেরি নতুনভাবে চালু করেছি।

এসময় তিনি নদী বন্দর উন্নয়নের কথা তুলে ধরে বলেন, আগে বলত বাইরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট এখন আমরা বলি দেখতে হলে ফিটফাট চলে আসুন সদরঘাট। এসময় তিনি বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, ‘হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়নকে স্বীকার করুন।’

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৮ বছর আগে চট্টগ্রাম বন্দর জাহাজ থেকে পণ্য আনা নেওয়ায় ৯৮তম ছিল, এখন ৭১। এতে খুশি হলে চলবে না আমাদের এখনও বহু পথ পাড়ি দিতে হবে। আরো অনেক জেটি নির্মাণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে নদী পথের নাব্যতা রক্ষায় ড্রেজিং কার্যক্রমের অর্জিত সাফল্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো, দেশের সমুদ্র বন্দর, নদীবন্দর, স্থল বন্দর ব্যবস্থাপনায় অর্জিত সাফল্য এবং চ্যালেঞ্চ, দেশের নৌপথ ও নৌযানের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বিধি-বিধান এবং বিদেশে বাংলাদেশি নাবিকদের চাকরির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

সারাবাংলা/ জেজে/এমএইচ/একে

বিজ্ঞাপন

আরো