।। গোলাম সামদানী, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট ।।
ঢাকা: ইসলামি ব্যাংক লিমিটেডের পাঁচ জন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়েছে।
এরা হচ্ছেন, ইসলামি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) মো. শামসুজ্জামান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. হাবিবুর রহমান ভুঁইয়া, আবদুস সাদেক ভুঁইয়া, মো. মোহন মিয়া এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসইভিপি) আমিরুল ইসলাম।
দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) ও গত মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) দুই দফায় এই কর্মকর্তাকে অপসারণ করা হয়।
ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রশাসন চালানো সুবিধার্থে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। কাউকে অপসারণ করা হয়নি, এরা সেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।
সূত্র জানায়, গত ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত ইসলামি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় ব্যাংকটির শীর্ষ পদে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৩ এপ্রিল অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) মো. শামসুজ্জামান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসইভিপি) আমিরুল ইসলাম এবং বৃহস্পতিবার বিকালে তিনজন ডিএমডিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়।
এর আগে গত বছরের ৫ জানুয়ারি ইসলামি ব্যাংকের মালিকানা ও পরিচালনা পর্ষদে বড় ধরণের পরিবর্তন আসে। ওইদিন ব্যাংকটির তৎকালীন এমডি আব্দুল মান্নানকে অপসারণ করা হয়। এরই ধারাবাতিকতায় সাবেক সচিব আরস্তু খান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। এর পর বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকটিতে পরিবর্তন আসে।
এ প্রসঙ্গে ইসলামি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান বৃহস্পতিবার রাতে সারাবাংলাকে বলেন, ‘কাউকে অপসারণ করা হয়নি। ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তা নিজেদের ইচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। কেন পদত্যাগ করেছেন এটা তাদের বিষয়। এদের মধ্যে কেউ অসুস্থ আছেন, আবার কারও চাকরির মেয়াদ এক থেকে দুই মাস আছে। এই সব কারণে তারা পদত্যাগ করেছেন।’
ইসলামি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরও বলেন, একটি ব্যাংকে যখন নতুন এমডি আসেন, একটি দল নিয়েই আসেন। সবাই চায় প্রশাসন নিজেদের মন মতো করে, পছন্দের লোক দিয়ে সাজাতে। এতে করে অনেককে ফায়ার করতে হয়, আবার কাউকে হায়ার করতে হয়। এটাই নিয়ম। এতে কেউ গোসসা করে, কারও রাগ হয়। এইসব কারণও কিছুটা আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামি ব্যাংকে ১৩ থেকে ১৪ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারি রয়েছে। এদের মধ্যে কিছু পরিবর্তন হবে এগুলো স্বাভাবিক বিষয়।’
সারাবাংলা/জিএস/এমআই