ঢাকা: সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) আয়োজিত বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস তথা বিসিএস পরীক্ষায় তিন বারের বেশি কেউ অংশ নিতে পারবে না। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের বিধিমালায় এ সংক্রান্ত বিধি সংযোজন করতে বলেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এ দিন বৈঠকে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা অধ্যাদেশ ২০২৪’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই অধ্যাদেশের আলোকে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪’ পুনর্গঠন করতে হবে। পুনর্গঠিত বিধিমালায় বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিন বার অবতীর্ণ হতে পারবেন— এমন বিধি সংযোজন করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এই বিধি পরিবর্তন করতে বলেছে উপদেষ্টা পরিষদ।
এ দিন বৈঠকে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্তও হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিসিএসের সব ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা হবে ৩২ বছর।
বিসিএসের বাইররে অন্য সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রেও বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। অন্যদিকে স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা নিজ নিজ বিধিমালায় প্রয়োজনীয় অভিযোজন করতে পারবে। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষেত্রে নিজ নিজ নিয়োগ বিধিমালা বহাল থাকবে।