লাল সালুর ফ্রেমে শীতের গল্প। ছবি
৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৮:১৫ | আপডেট: ৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:৫৭
ঋতু বৈচিত্র্যের এই দেশে এখনো শীত আসে। এখনো শীতের কনকনে ঠান্ডায় মানুষ কাঁপে। কাঁপে প্রকৃতি ও প্রাণী জীবন। যদিও মানুষ ঠান্ডা থেকে নিজেকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। গরম কাপড়, চাদর, সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার ও জুতায় অনেকেই নিজেকে আবৃত করে ঠান্ডা থেকে রক্ষা পায়। তবে শীতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ হলো লেপ, তোষক ও কম্বল। বর্তমানের যান্ত্রিক যুগে কম্বলের চাহিদা বাড়লেও ঐহিত্যবাহী লেপের কদর কিন্তু হারিয়ে যায়নি। শীত এলেই তাই লেপ তৈরির হিড়িক পড়ে যায়। আর এই লেপ তৈরির প্রধান উপকরণ লাল সালু। শীতের আগমনীতে বেড়েছে এই কাপড়ের চাহিদা। এ জন্য ব্যস্ততা বেড়েছে নরসিংদীর তাঁতি পল্লিতে। জেলার বিভিন্ন এলাকার সবুজ মাঠে শোভা পাচ্ছে লাল সালু। রোদে শুকাতে দেওয়া এ সব কাপড় দূর থেকে দেখলেই মনে হয়, বিজয়ের এই মাসে লাল-সবুজের পতাকার রঙে সেজেছে পুরো এলাকা। নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এই লাল সালুর ফ্রেমের গল্প তুলে এনেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটোকরেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান।
- সূতা কয়েকধাপে রং করে পাকা করা হয়। ছবি: সারাবাংলা
- কাপড় তৈরির জন্য সূতায় লাল রং দিয়ে পাকা করা হয়। ছবি: সারাবাংলা
- কয়েকধাপে কাপড়ে লাল রং করার পর তা রোদে শুকাতে দেওয়া হয়। ছবি: সারাবাংলা
- ফসল নেই এমন মাঠ বেছে নেওয়া হয় কাপড় রোদে শুকানোর জন্য। ছবি: সারাবাংলা
- ফসলবিহীন মাঠে কেবল লালের সমারোহ। ছবি: সারাবাংলা
- বিজয়ের এই মাসে লাল-সবুজের পতাকার রঙে সেজেছে পুরো এলাকা। ছবি: সারাবাংলা
- যতদূর দৃষ্টি যায় শুধু লাল আর লাল, মনে হয় এই লাল গালিচায় ভর করে আসছে শীত। ছবি: সারাবাংলা
- শুকানো শেষে মাঠেই সালু কাপড় ভাঁজ করা হয়। ছবি: সারাবাংলা
সারাবাংলা/পিটিএম