খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৭:২৪ | আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৭:৪৬
খুলনা: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেনসহ ১৪ জন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে খুলনার দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়। তাদের বিরুদ্ধে সীমাহীন আর্থিক দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত শুরু করেছে দুদকের চার সদস্যের একটি দল। আগামী ৫ মার্চের মধ্যে তাদের নথিগুলো দুদক কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুনীতি তদন্তের অনুসন্ধানী টিমের টিম লিডার উপ পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ সই করা এক পত্রে বর্তমান উপাচার্যের কাছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধিমালা। সাবেক ভিসিসহ ১৪ জন কর্মকর্তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিতে যোগদান সংক্রান্ত আবেদনপত্র, নিয়োগপত্র, যোগদানপত্র, পদোন্নতির আদেশ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রসহ ব্যক্তিগত নথির ছায়ালিপি চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফায়েকুজ্জামান ও প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন কর্মকালে নিয়োগপ্রাপ্ত ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা, নিয়োগ বোর্ডের সদস্যদের তালিকা, নিয়োগ কমিটির সভার কার্যবিবরণীসহ নিয়োগ ও পদোন্নতি নথির সত্যায়িত ছায়ালিপি। প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ভিসি পদে দায়িত্বপালন কালে ইউজিসি ও মন্ত্রণালয়ের যে সকল অডিট সম্পন্ন হয়েছে সে সকল অডিট প্রতিবেদন এবং উক্ত সময়ের কোন অডিট আপত্তি থাকলে তার জবাব ও চাওয়া হয়েছে।
সারাবাংলা/এসআর
অনুসন্ধান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দুদক দুর্নীতি নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ সারাবাংলা