নিখোঁজের ২ দিন পর সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল শিক্ষার্থীর মরদেহ
২৭ মার্চ ২০২৫ ২০:২২ | আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৫ ২২:২৬
নোয়াখালী: জেলার সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নে নিখোঁজের দুই দিন পর আবদুল হামিদ রায়হান (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃরদেহ সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মারুফ (২৪) নামের এক যুবককে আটক করেছে করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যায় হুগলি গ্রাম থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রায়হান ওই গ্রামের আবিদ আলী হাজী বাড়ির আলমগীল হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় খলিফারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আটক মারুফ একই বাড়ির সেলিমের ছেলে।
পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) তারাবির নামাজ পড়তে বাড়ির পাশের মসজিদে যায় রায়হান। এরপর থেকে আর সে বাড়ি ফিরে আসেনি। পরদিন একটি অপরিচিত মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে পরিবারের কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে অজ্ঞাত ব্যক্তি। ওই নাম্বারের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার ভোরে মারুফ নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ। পরে মারুফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাশের কালী বাড়ির বাগানের একটি সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে রায়হানের মৃরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ উপ-পরিদর্শক সূধন চন্দ্র দাশ তথ্য প্রযুক্তি সহায়তায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে দাদপুর ইউনিয়ন থেকে আটক করে।
সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মৃরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তবে কি কারণে রায়হানকে হত্যা করা হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
তিনি আরও জানান, আটক মারুফকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত আছে বলে জানা গেছে।
সারাবাংলা/এইচআই
খুন নিহত নোয়াখালী মরদেহ মরদেহ উদ্ধার সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল শিক্ষার্থীর মরদেহ হত্যা