Friday 20 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ফের শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের, ‘শেষ পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৮ এপ্রিল ২০২৫ ১৬:২২ | আপডেট: ৮ এপ্রিল ২০২৫ ১৭:৪৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। ছবি: সংগৃহীত

চীন পালটা শুল্ক প্রত্যাহার না করলে, তাদের পণ্যের ওপর আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্কের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবে তারা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ‘ব্ল্যাকমেইলিং আচরণ’ তারা কখনোই মেনে নেবে না।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। এর আগে, ট্রাম্প সোমবার (৭ এপ্রিল) ঘোষণা দিয়েছে, চীন যদি মঙ্গলবারের (৮ এপ্রিল) মধ্যে ৩৪ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি প্রত্যাহার না করে, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকরভাবে চীনের ওপর ৫০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে। নতুন করে আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলে যা ১০৪ শতাংশ দাঁড়াবে।

বিজ্ঞাপন

তবে চীনা পণ্যের ওপর আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকিকে ‘ভুলের ওপর ভুল’ বলে অভিহিত করেছে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। চীনের চাচ্ছে, শুল্ক আরোপের এই পরিকল্পনা প্রত্যাহার করা হোক এবং দ্বিপাক্ষিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার মত পার্থক্যের সমাধান করা হোক।

ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে ‘পারস্পরিক সুবিধাদানের নীতির নামে’ একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তা মূলত অন্য দেশের ন্যায়সঙ্গত স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করা এবং সমস্ত আন্তর্জাতিক বিধি-নিষেধকে অবজ্ঞা করে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে চলার নামান্তর।

তিনি আরও বলেন, এটা এক ধরনের একতরফাবাদ, সংরক্ষণবাদ এবং অর্থনৈতিক নিপীড়ন।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে ক্রমশ বাড়তে থাকা এই উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য যুদ্ধের আশঙ্কাকে আরও জোরালো করেছে। পণ্যে রফতানিতে চীনের অন্যতম প্রধান গন্তব্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হওয়ায় এই অতিরিক্ত শুল্ক চীনের উৎপাদকদের জন্য একটি বড় আঘাত।

আরও পড়ুন-চীনা পণ্যে আরও ৫০% শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

শুল্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা বিশ্বব্যাপী শেয়ার বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। নতুন শুল্ক ঘোষণার পর থেকেই বিশ্বের প্রায় সব বড় শেয়ার বাজার দরপতনের মুখে পড়েছে।

মার্কিন শেয়ারবাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই এর মূল্য আবারও তীব্রভাবে কমে যায়, আর ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলো, লন্ডনের এফটিএসই ১০০সহ, ৪ শতাংশের বেশি পতনের মধ্যেই দিনের লেনদেন শেষ করে।

এশিয়ার বাজারগুলো আরও বড় ধাক্কা খেয়েছে। হংকংয়ের হ্যাং সেং সূচক একদিনেই ১৩ শতাংশ পড়ে গেছে। ১৯৯৭ সালের পর এটি সবচেয়ে বড় পতন।

সারাবাংলা/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো