Thursday 01 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রেজিস্ট্রারের কক্ষে তালা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জিডি

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৮ এপ্রিল ২০২৫ ২৩:৫৯
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বরিশাল: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) আন্দোলনকারী ২২ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সোমবার (২৮ এপ্রিল) মেট্রোপলিটন বন্দর থানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার কেএম সানোয়ার পারভেজহ লিটন বাদী হয়ে এই জিডি করেন।

এতে বিভিন্ন বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন— ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিন খান, মিজানুর রহমান, এনামুল হক, তরিকুল ইসলাম, সাংবাদিকতা বিভাগের নাজমুল ঢালী, লোক প্রশাসন বিভাগের মোকাম্মেল শেখ, আইন বিভাগের তরিক হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এমডি শিহাব, কোস্টাল স্ট্যাডিজ বিভাগের অপূর্ব রকি, রসায়ন বিভাগের রফিক। এ ছাড়াও অজ্ঞাত ১২ জনকে বিবাদি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে বেড়ায়। তারা প্রশাসনিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বাধার সৃষ্টি করে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার-পোস্টার নিয়ে স্লোগান দেয়।একপর্যায়ে তারা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে প্রবেশ করে সব কর্মকর্তাদের ভয় দেখিয়ে বের করে দেয় এবং রেজিস্ট্রারের কক্ষ তালাবদ্ধ করে দেয়। এমনকি তারা রেজিস্ট্রারের ভবনের কলাপসিবল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেয়। এতে প্রশাসনিক কাজে বিঘ্ন ঘটে। দুপুর আড়াইটার দিকে কর্মকর্তারা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা ভয়-ভীতি দেখায়।

সহকারী রেজিস্ট্রার কেএম সানোয়ার পারভেজ লিটন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার জন্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি জিডি করেছি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট কর্মকর্তা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ডিসিশান মেকার না। জিডি করা বা মামলা করার বিষয়ে আমি একেবারেই নিরীহ। আমার একটি শব্দ যোগ করারও ক্ষমতা নেই, বাদ দেওয়ারও ক্ষমতা নেই।

উপাচার্যের নির্দেশে জিডি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জিডিতে যা লেখা হয়েছে তা আইনজীবী লিখেছেন। আমি শুধু অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছি।

বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে জিডি পাঠানো হয়েছে। আমরা গ্রহণ করেছি।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক মুহাম্মদ মুহসিনকে সসম্মানে তার দায়িত্ব ফিরিয়ে দিতে হবে, রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামকে অব্যহিত দিতে হবে, আওয়ামী লীগের দোসরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং দোসরদের নানা সুযোগ দেওয়ায় উপাচার্যকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সারাবাংলা/এইচআই