Tuesday 06 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

স্বাস্থ্য নিয়ে অস্বাস্থ্যকর কিছু কথা

আনোয়ার হাকিম
৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:৪৫

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল – এ কথা ছেলেবেলা থেকেই সবার মুখস্থ। বাস্তবে এর চেহারা মোটেই সুখকর না। আমাদের উপমহাদেশীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সরকারি সার্ভিস সমূহের মধ্যে একটি কোর গ্রুপ আছে, তার মধ্যে স্বাস্থ্য সার্ভিস অন্যতম। জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন এই কোর গ্রুপের অন্যতম সদস্য।

সরকারের বাজেট খাতে এই বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দ বরাবরই শীর্ষ দুই-তিন খাতের মধ্যে থাকে। পঞ্চান্ন বছরের ধারাবাহিকতায় এর কাঙ্খিত উন্নয়ন মূলত বিল্ডিং আর শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির মধ্যেই আটকে আছে। এ খাতে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে। কিছুটা আর্থিক, কিছুটা প্রশাসনিক আর কিছুটা স্বকৃত দায়িত্বহীনতার। গরীব দেশে, উন্নয়নকামী বলাই ভালো, বাজেটের সীমাবদ্ধতা অনস্বীকার্য। স্বাস্থ্যখাতে আরো বেশি বরাদ্দ প্রদান করতে পারলে জনগণের স্বাস্থ্যমান ও চিকিৎসা সেবার মান আরো উন্নত হত নি:সন্দেহে। বিগত সকল সরকারই তা বিবেচনা করে এসেছে এবং সাধ্যমত বরাদ্দও দিয়ে এসেছে। হয়ত তা অপ্রতুল কিন্তু একেবারে ন্যুনতম না।

বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। আর তা ভাবতে হবে এ বিভাগে কর্মরত ডাক্তার সমাজকেই। প্রথমত তাদেরকে আত্মোপলব্ধিতে সৎ হতে হবে। তাদেরকে নিজেদের আইডেন্টিটি স্পষ্ট করতে হবে। তাদের মূল পরিচয় কি? তারা কি সরকারের, অন্য অর্থে প্রজাতন্ত্রের? তারা কি শুধুই পেশাজীবি, অন্য অর্থে বিভক্ত চিকিৎসক গোষ্ঠীর বিভিন্ন গ্রুপের আওতাধীন কোনো এক গ্রুপের সার্বক্ষণিক অনুগামী? নাকি তাদের কাছে প্রাইভেট কর্মই অগ্রাধিকার বলে বিবেচিত? সবার আগে এটার ফয়সালা হওয়া প্রয়োজন।

আমাদের দুর্ভাগ্য আমাদের পেশাজীবিরা দ্বৈত দায়বদ্ধতায় আবদ্ধ থাকায় শেষতক তাদেরকে সুনির্দিষ্ট ভাবে সরকারের একান্ত সেবক হিসেবে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়ে। সরকার এদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দশবার চিন্তা করে, এগারোবার পিছিয়ে আসে আর শতভাগ বিফল হয়। এরপরেও আঠারো কোটি মানুষের বেশির ভাগের ভগ্ন স্বাস্থ্য নিয়ে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ডাক্তার ও তাদের সহযোগীদের প্রদত্ত সেবাদান কার্যক্রমকে জনগণ নানা ক্ষোভ থাকলেও স্বীকার করে থাকে। এই সেবামান আরো বৃদ্ধি করাই এখন ডাক্তারদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা।

সরকারের তরফ থেকে স্বাস্থ্য সেবা ইউনিয়ন পর্যন্ত সম্প্রসারিত। সেখানে স্বাস্থ্য বিভাগের জনবল আছে। স্থাপনাও আছে। কমিউনিটি ক্লিনিকও রয়েছে। সেখানে ডাক্তার সংকট। যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক ক্ষেত্রেই নাজুক। তবে যেটা সরকারের এই নেটওয়ার্ককে প্রায় স্তিমিত পর্যায়ে নিয়ে গেছে তার অন্যতম কারণ হলো সেখানে পদায়িত ডাক্তারের অনুপস্থিতি। এর কারণ হতে পারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবাদানে সরকারি ডাক্তারদের অনীহা, বাণিজ্যিক চিন্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া আর কর্মপরিবেশ মন:পূত না হওয়া। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর ও মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চিত্রানুযায়ী এটাও স্বীকার্য যে, ডাক্তারের অপ্রতুলতার চেয়ে তাদের অনিচ্ছা জনিত অনুপস্থিতিই মূল কারণ। আরেক সমস্যা হলো সরকারি ওষুধ সরবরাহের অপ্রতুলতা ও যথাযথ বিতরণ ব্যবস্থাপনায় সমস্যা। এটা একান্তভাবেই স্বাস্থ্য বিভাগীয় ব্যবস্থাপকদের দক্ষতার উপর নির্ভরশীল। তবে সরকারেরও এতে করণীয় আছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে পারত চিকিৎসা সেবার হাব। এর সৃষ্টিও হয়েছিলো সে উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেখানে বিরাজিত সমস্যা আরো ব্যাপক ও বহুমুখী।

দীর্ঘদিনের বাস্তবতা হলো, হাসপাতালের শয্যা সংখ্যার চেয়ে রোগীর সংখ্যা প্রকৃত অর্থে অনেক বেশি। উপকরণ ও চিকিৎসা সামগ্রীর সরবরাহ না থাকা বা ঘাটতি থাকা বা অব্যবস্থাপনাও বর্তমান স্বাস্থ্যসেবার পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবার অনুপস্থিতি বা ঘাটতি রোগীদেরকে উপজেলামুখী করছে। একইভাবে উপজেলায় সেবামান আশানুরূপ না হওয়ায় রোগীরা প্রথমে জেলা সদরে, পরে পুরাতন জেলা শহরের বড় হাসপাতালে এবং সর্বোপরি বিভাগীয় সদরের হাজার শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের দ্বারস্থ হয়। উপজেলা, জেলা বা বড় শহরের হাসপাতাল গুলোতে একইরকম সমস্যা দেখা যায়।

হাসপাতালের ভেতর-বাইরে দালাল চক্রের সদম্ভ উপস্থিতিই রোগীর ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকে। এরপর আয়া, বুয়া, ট্রলি বয়, ওয়ার্ড, নার্স, ব্রাদারদের নেক নজর পেরিয়ে ডাক্তারদের সেবার হাত ও মননের পরশ পেতে রোগীর ও তাদের সাহায্যকারীদের শারিরীক, মানসিক ও আর্থিক অবস্থার কী হয় তা ভুক্তভোগী সবার জানা। তারপর রয়েছে নানাবিধ টেস্ট পাওয়ার ভাগ্য। এক্সরে মেশিন আছে, সচল না। সচল থাকলেও প্লেট নেই। টেকনিশিয়ান নেই। কেন নেই কেউ জানে না। আল্ট্রা মেশিন অকেজো বা তার কাগজ সরবরাহে নেই। টেকনিশিয়ান অনুপস্থিত। লিফট আছে, কাজ করে না। জেনারেটর আছে, তেল নেই বা অচল। এম্বুলেন্স আছে, কিন্তু বিকল বা ড্রাইভারের একান্ত কর্তৃত্বের উপর নির্ভরশীল। ওটি আছে, অপারেশন হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকলে হয় না, মাঝপথে চলে গেলে কী হয় কারো জানা নেই। স্টোরকীপাররা হাসপাতালের বিরাট প্রভাবক। স্টোরে ওষুধ আছে কি নেই তার হিসেব তার ইচ্ছেধীন, কৈফিয়ত দানের প্রশ্ন তো উঠেই না। সম্প্রতি মন্ত্রী, এমপি মহোদয়গণের আকস্মিক পরিদর্শনে এর রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। স্টকে নেই অথচ পরিত্যক্ত ভবনে, টয়লেটে ওষুধ স্তুপাকারে পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও রয়েছে। সম্প্রতি এর দায়ে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে বদলীও করা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রতিটি হাসপাতালের চারপাশে প্রাইভেট আয়োজন রমরমা। সেখানে এক্সরে মেশিন সারা বছর সচল, প্লেটের ঘাটতি নেই, টেকনিশিয়ান সার্বক্ষণিক উপস্থিত। আল্ট্রাতে লম্বা লাইন, বিদ্যুৎ না থাকলেও জেনারেটর স্ট্যান্ডবাই। তেলের কোনো টানাপোড়েন নেই। সকল টেস্টই সেখানে করা সম্ভব, যেগুলোর অনেক গুলোই সরকারি হাসপাতালেও করা সম্ভব।

উপজেলা সদরের হাসপাতালগুলোর কর্তব্যরত ডাক্তারদের জন্য নির্মিত বেশির ভাগ কোয়ার্টার খালি পড়ে থাকে। কেউ কেউ তাতে অফিস সময়ে নানা বাহানা করে প্রাইভেট প্র্যাক্টিসও করেন বলে মাঝেমধ্যে পত্রিকা আর চ্যানেলে প্রচারিত হয়। হাসপাতালগুলোর জন্য নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা কমিটি আছে। এর সভাপতি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্য। ন্যুনতম সভা অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও বছরের পর বছর মিটিং হয় না। সম্প্রতি এক সংসদ সদস্য মিডিয়ার সামনে এসে বলেছেন সাত বছর পর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং হয়েছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংগ। নিত্যদিন হাসপাতালে প্রচুর লোকসমাগমের কারণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ঝকঝকে রাখা সম্ভব না। তবে ন্যুনতম পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী মহোদয় তার নিজ এলাকার জেলা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করে মিডিয়ার সামনে হতাশা প্রকাশ করে বলেন যে, তিনি তার জীবনে এমন বাজে অবস্থা অন্য কোনো হাসপাতালে দেখেন নি। কৃষিমন্ত্রী মহোদয় পরিদর্শনকালে উপস্থিত চিকিৎসককে অনুরোধ করে বলেছেন তাকে কিছু হারপিক আর ক্লিনার দিতে। তিনি নিজে টয়লেট পরিষ্কার করবেন। এর চাইতে করুন আর্তি আর কি হতে পারে? স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী একাধিক হাসপাতালে গিয়ে যা প্রত্যক্ষ করছেন তা মিডিয়ার কল্যাণে সবাই প্রত্যক্ষ করছে। আর সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগীরা তা চাক্ষুষ করছে প্রতিদিন অসীম ধৈর্য্য নিয়ে। সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলে তা কখনো কখনো অপ্রীতিকর অবস্থার সৃষ্টি করে।

উপরের এ চিত্র সবাই জানেন। কিন্তু সমাধান কি? প্রথমত ডাক্তারদের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা জরুরি। পেশাজীবি সংগঠনের অন্ধ আনুকূল্য তথা রাজনৈতিক ছায়া বর্জন করতে হবে। সরকারকে এটা নিশ্চিত করতে হবে। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের কাছে বাণিজ্যিক লাভালাভের দায়বদ্ধতা বন্ধ করতে হবে। পোস্টিং কোন আনুকূল্যের ভিত্তিতে বা সুপারিশের ভিত্তিতে যাতে না হয় তা এখন থেকেই নিশ্চিত করতে হবে। কাজটা কঠিন তবে পলিটিক্যাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে এটা শুরু করা যেতে পারে। কথায় কথায় ডেপুটেশনের নামে গ্রাম থেকে ডাক্তার সুবিধামত জায়গায় পোস্টিং প্রদানের প্রথা রহিত করতে হবে। হাসপাতালগুলো সচল রাখা, ব্যবস্থাপনা কমিটির মিটিং গুলো নির্ধারিত সময়ে করা, পরিদর্শন ও তদারকি জোরদার করা, ডাক্তার ও অধস্তনদের সময় মত হাসপাতালে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, ওষুধ উপকরণ ক্রয়ে টে-ারবাজি নিয়ন্ত্রণ ও সি-িকেট সমূলে উৎপাটন করা, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বচ্ছ ও বাস্তবমুখী করা এবং চিকিৎসা বান্ধব পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার আবহাওয়া বজায় রাখা দরকার। সেই সাথে দ্রুত শূন্যপদ পূরণের উদ্যোগ নিতে হবে। কাজগুলো দু’ এক মাসেই হয়ে যাবে, এমন না। তবে ছোট ছোট করে উদ্যোগ নিলে সম্ভব। সরকারি দপ্তর গুলোতে সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কর্মেও সুযোগ আছে। শুধু দরকার সদিচ্ছা ও উদ্যোগ। হাসপাতাল কেন্দ্রিক দালাল চক্রের নেটওয়ার্ক বন্ধে প্রশাসনকেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে হবে। সর্বোপরি রাজনৈতিক অঙ্গীকার নিশ্চিত করতে হবে। কেন্দ্র থেকে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেই হবে না মাঠ পর্যায়ে দলীয় লোকজনের কাছে কঠোর ম্যাসেজ প্রদান করতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালকে ইউনিট ধরে ‘স্মল ইজ বিউটিফুল’ দর্শনে উজ্জীবিত করতে হবে। হাসপাতাল সমূহের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। এখানে উত্তম সেবাপ্রদানকারী হাসপাতাল ও এর সাথে সংশ্লিষ্টদেরকে বিশেষ বাজেট বরাদ্দ ও প্রণোদনা প্রদান করা যেতে পারে। পেশাজীবি সংগঠনসমূহের রেজিষ্ট্রেশন নীতিমালা রিভিউ করা যেতে পারে, যাতে দলীয় লেজুড়বৃত্তি হাসপাতাল কর্মে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে।

মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরেরও এসব কর্মে দায় আছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অধিদপ্তরের সুপারিশের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় কাজ করে থাকে। সে কারণে ডাক্তারদের চাকরিতে স্থায়ীকরণ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ছুটি, বহির্বাংলাদেশ সফর ও ছুটির প্রজ্ঞাপন প্রক্রিয়াকরণ, পদোন্নতি, পদায়ন ও সিলেকশন গ্রেড প্রদান দ্রুততম সময়ে, অনলাইনে নিষ্পত্তি করা অত্যাবশ্যক।

এতো গেলো সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার অবস্থাও যাচ্ছেতাই। দেখার কেউ কি আছে? মনে তো হয় না। এই নিবন্ধ লিখতে লিখতেই নোয়াখালীর এক প্রাইভেট ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় সিভিল সার্জন। বাধা দেওয়া সত্ত্বেও মায়ের জন্য নির্ধারিত ইঞ্জেকশন নবজাতককে জোর করে পুশ করায় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ক্লিনিক বা হাসপাতাল বন্ধ করলে কী হবে? যার গেছে তার মর্ম যাতনার উপশম হবে কীভাবে? অনতিবিলম্বে এগুলোরও তদারকি ও জবাবদিহিতার ব্যবস্থা জোরদার করা দরকার।

অজুহাত আমাদের প্রধান অস্ত্র, যার যত্রতত্র প্রয়োগে আমরা সিদ্ধহস্ত। কোনো এক সেক্টর নিয়ে আলোচনা করতে গেলেই অন্যান্য সার্ভিস সেক্টরের সাথে তুলনায় ফেলে আসল উদ্দেশ্য গুবলেট করে দেওয়ায় আমরা অতিশয় দক্ষ। এই সংকীর্ণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে আমাদের নিজেদেরই স্বার্থে। ঘন্টা বাঁধবে কে এই ‘অজুহাত’ যেন আমাদেরকে পেয়ে না বসে। যার যার সুশাসনের ঘন্টা নিজেরাই বাজানো শুরু করি। সবার সুবোধ জাগ্রত হোক।

লেখক: কলামিস্ট ও সাবেক সচিব

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর