গত জুলাইয়ের শেষভাগে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ হয়েছে বাংলাদেশ দলের। এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের। কিন্তু শেষ সময়ে এসে সিরিজ পিছিয়ে দেয় ভারত। ফলে বেশ বড়সড় একটা ফাঁকা সময় পান ক্রিকেটাররা। এই ফাঁকা সময়ে লম্বা অনুশীলন সেশন করেছেন ক্রিকেটাররা।
ফিটনেসে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে অনুশীলন করেছেন ক্রিকেটাররা। নতুন পাওয়ার হিটিং কোচ জুলিয়ান উডকে ডেকে অনেকদিন যাবত পাওয়ার হিটিং অনুশীলন করেছেন ক্রিকেটাররা। সঙ্গে বোলিং, ফিল্ডিং অনুশীরন তো ছিলই। ফলে এই বিরতিটাকে আশির্বাদ মনে করছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
বলেছেন এটা প্রস্তুতির ভালো একটা সুযোগ ছিল। সালাউদ্দিন বলেন, ‘দেখুন, প্রিপারেশন তো সবসময়… যেহেতু এবারে একটু লম্বা সময় পেয়েছি, এই কারণে আমাদের প্রিপারেশনটা নেওয়ার আমাদের সুযোগ ছিল। প্র্যাকটিস বলেন, ফিল্ডিং বলেন, ব্যাটিং বলেন, সবদিকে আমাদের প্রিপারেশন নেওয়ার একটা সুযোগ ছিল।’
‘কারণ আমরা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে আসলে খুব বেশি ফাঁকা সময় পাই না। যে ছেলেদের পারফরম্যান্স, স্কিল ডেভেলপ করার আসলে সুযোগ পাই না। এবার যেহেতু পেয়েছি, এটা আমাদের জন্য ভালো দিক হবে এবং ভবিষ্যতেও যখন পাবো, তখন আবারও করবো। টিম ইমপ্রুভমেন্ট তো কখনো থেমে থাকবে না। এটা চলমান প্রক্রিয়া। এটা একটা সিরিজ বা এশিয়া কাপটাই আমাদের শেষ না।’
এই মুহূর্তে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। সিরিজ শেষে উড়াল দিতে হবে এশিয়া কাপ খেলতে।
এশিয়া কাপ নিয়ে বাংলাদেশ কোচ বলেন, ‘এশিয়া কাপেও আমাদের ভালো খেলতে হবে, সেটাও আমরা জানি। সেগুলো মনের ভিতরে আছে। তো আমার মনে হয় যে এটা প্রতিনিয়ত উন্নতির একটা জায়গা।’
উন্নতি একদিনে হবে না। প্রতিনিয়ত চেষ্টা করতে হবে। এই সহজ কথাটা মেনেই এগুতে চান সালাউদ্দিন। বলেছেন, ‘যেখানে আমরা প্রতিদিন আসলে কিছু না কিছু উন্নতি করতে পারি এবং আমাদের মানকে যেন আরও ভালো করতে পারি, নিজেদের মানটাকে যেন উন্নতি করতে পারি, আরও একটা ভালো টিম হওয়ার জন্য আমাদের যা যা করা দরকার, আমরা চেষ্টা করছি সেটাই করার জন্য।’