নানান নাটকীয়তার পর অবশেষে মাঠে গড়িয়েছে বিপিএল। বিপিএল মাঠে ফেরার ম্যাচে গ্যালারিতে ছিল দর্শকদের চমৎকার উপস্থিতি। ভরা গ্যালারিতে আজ দিনের প্রথম ম্যাচটাও হলো দরুণ রোমাঞ্চকর। শেখ মাহেদির দারুণ পারফরম্যান্সে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে বোলিং করে নোয়াখালীকে ১২৬ রানেই গুটিয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম। পরে ১৭ ওভারেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে ফেলেছে চট্টগ্রাম।
এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। অপর দিকে বিদায়ঘণ্টা বেজেছে নোয়াখালীর। আজ নবম ম্যাচ খেলতে নামা দলটা আজকের ম্যাচসহ হারল সাত ম্যাচই!
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) আগে ব্যাটিং করতে নেমে আজও ব্যাটিংটাই ভোগাল নোয়াখালীকে। সৌম্য সরকার দ্রুত শুরু করতে চেয়েছিলেন তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৮ বলে ১৪ রান করে ফিরেছেন স্পিনার শেখ মাহেদি হাসানের বলে। ২০ বলে ২৫ রান করা অপর ওপেনার হাসান এশাখিলকে ফিরিয়েছেন পেসার শরিফুল ইসলাম। এই দুজনই নোয়াখালীর ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ড সোজা করতে দেননি।
অফ ফর্মে থাকা জাকের আলী অনিক তিনে নেমেও ব্যর্থ। ২২ বলে ২৩ রান করে ফিরেছেন। শরিফুল-মাহেদির দুর্দান্ত বোলিংয়ে থিতুই হতে পারেননি নোয়াখালীর কোনো ব্যাটার। ১৮.৫ ওভারে ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী।
চট্টগ্রামের পেসার শরিফুল আজ ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন। ৩.৫ ওভারে একটি মেডেনসহ মাত্র ৯ রান খরচ করে ৫ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল। ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও উঠেছে তার হাতে। শেখ মাহেদি ৩ ওভারে ১২ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
জবাব দিতে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা অবশ্য বিপদেই কেটেছে। ২৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলে দলটি। তবে মিডল অর্ডারে অধিনায়ক শেখ মাহেদি ও পাকিস্তানের আসিফ আলি দাঁড়িয়ে যান দারুণভাবে। ১৭ ওভারে ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত হয় চট্টগ্রামের।
মাহেদি তখন ৩৬ বলে ৪টি চার ২টি ছয়ে ৪৯ রানে অপরাজিত। আসিফ আলি ৩০ বলে ২টি করে চার-ছয়ে ৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।