বিপিএলে প্লে-অফের টিকিট পেতে আজকের ম্যাচের জয়টা খুবই করেই দরকার ছিল রংপুর রাইডার্সের। তাই ম্যাচের আগে বড় পরিবর্তন এনেছে রংপুর। নিয়মিত অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানকে সরিয়ে দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়া হয় লিটন দাসকে। ম্যাচে মিডল অর্ডার ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়কে ওপেনিংয়ে নামিয়ে টপ অর্ডার ব্যাটার লিটন ব্যাটিং করতে নামলেন পাঁচ নম্বরে। এতো উলট-পালটে কাজ অবশ্য হলো।
নিজেদের নমব ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে আজ ১১ রানে হারিয়েছে রংপুর। ওপেনিংয়ে নামা তাওহিদ হৃদয় দারুণ এক হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন অপর ওপেনার ডেভিড মালানও। কাইল মায়ার্স পরে ছোট একটা ঝড় তুলেছিলেন। ২০ ওভারে ১৮১ রানের বড় স্কোর গড়েছিল। পরে ঢাকার ওপরের ব্যাটাররা প্রত্যাশা মেটাতে ব্যর্থ। শেষ দিকে অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন দারুণ একটা ইনিংস খেললেন বটে। তবে সেটা ঢাকাকে জেতাতে পারেনি।
এই জয়ে বিপিএলের প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে গেছে রংপুরের। অপর দিকে টুর্নামেন্ট থেকে কার্যত বিদায় নিশ্চিত হলো ঢাকার। নয় ম্যাচে মাত্র ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে টেবিলের পাঁচ নম্বরে ঢাকা। অপর দিকে ৯ ম্যাচের ৫টি জিতে রংপুর চারে।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করতে নামা রংপুরের ওপেনিং জুটিটা ছিল ১২৬ রানে। ১৫তম ওভারের প্রথম বলে ডেভিড মিলার ৪৯ বল খেলে ৮টি চার ৪টি ছয়ে ৭৮ রানে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। খানিক বাদে ফিরেছেন তাওহিদ হৃদয়ও। ৪৬ বলে ৫টি চার ৪টি ছয়ে ৬২ রান করেন হৃদয়।
তারপর ছোট তবে কার্যকরি একটা ইনিংস খেলেছেন কাইল মায়ার্স। মাত্র ১৬ বলে ১ চার ২ ছয়ে ২৪ রান করেন ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার। যাতে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানে থেমেছে রংপুর।
পরে জবাব দিতে নেমে ঢাকার হয়ে ওপেনার উসমান খান শুরুটা ভালোই করেছিলেন। তবে তাকে সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। উসমানও নিজের ইনিংসটা বড় করতে পারেননি। ১৮ বলে ৫টি চার ১টি ছক্কায় ৩১ রান করে ফিরেছেন। তিনে নেমে সাইফ হাসান আজও ব্যর্থ। ৬ বলে ১২ রান করে সরাসরি বোল্ড হয়েছেন নাহিদ রানার বলে।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো ঢাকার হয়ে হাল ধরেন সাতে নামা সাইফউদ্দিন। তবে বাকিদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত সাইফউদ্দিনের ৩০ বলে ৫৮ রানের অপরাজিত ইনিংসটা কেবল হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। সাইফ চার হাঁকিয়েছেন ৩টি, আর ছক্কা ৫টি। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানে থেমেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।