অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর দারুণ সুযোগই তৈরি করেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কিন্তু সুযোগটা পরে কাজে লাগাতে পারেনি। বৃষ্টিবিঘ্নত ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত ১৮ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে ম্যাচে বৃষ্টির উপদ্রব ছিল অনেক। ম্যাচ শুরুর আগে বৃষ্টি হয়েছে, বেশ কয়েকবার ম্যাচের মধ্যেও বৃষ্টি নেমেছে। বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের পরে খেলা শুরু হয়েছে। পরে আবারও বৃষ্টি নামলে ম্যাচের দৈর্ঘ্য নেমে আসে ৪৯ ওভারে। তবে আগে বোলিং করতে নামা বাংলাদেশ যুব দল ভারত যুব দলকে গুটিয়ে দিয়েছে ৪৯.৪ ওভারে ২৩৮ রানে।
পরে বাংলাদেশ ইনিংসে বৃষ্টি নামে একাধিকবার। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সামনে টার্গেট দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ১৬৫ রান। কিন্তু নতুন লক্ষে খেলতে নেমে টপাটপ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ২৮.৩ ওভারে গুটিয়ে গেছে ১৪৬ রানে।
জয়ের পাল্লা একটা সময় বাংলাদেশের দিকেই হেলে ছিল। ১৬৫ রানের টার্গেট পাওয়া বাংলাদেশের একটা সময় স্কোর ছিল ২ উইকেটে ১০৬। সেট ব্যাটার অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম অপরাজিত ছিলেন ফিফটির কাছাকাছি স্কোরে। কিন্তু শেষ দিকে তালগোল পাকিয়ে তবু জেতা হয়নি বাংলাদেশের।
ম্যাচের আগে টসের পর দুই অধিনায়ককে হ্যান্ডশেক করতে দেখা যায়নি। যা নিয়ে বহু জলঘোলা হয়েছে। তবে ম্যাচের পর দুই দলের ক্রিকেটাররা সৌজন্যমূলক হ্যান্ডশেক করেছেন।
বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশের বোলিংটা দারুণ হয়েছে। আল ফাহাদ, ইকবাল হোসেন ইমনরা শুরুর দিকে দাপুটে বোলিং করেছেন। ভারতের বিধ্বংসী ব্যাটার বৈভব সূরবংশী অনেকক্ষণ ক্রিজে থাকলেও তাকে বেঁধে রাখতে পেরেছেন বাংলাদেশ বোলাররা। ৬৩ বলে ৬টি চার ৩টি ছয়ে ফিরেছেন ৭২ রান করে। এছাড়া অভিজ্ঞন কুন্ডু করেন ১১২ বলে ৮০ রান। বাংলাদেশের হয়ে আল ফাহাদ মাত্র ৩৮ রান খরচ করে নেন পাঁচ উইকেট। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ইকবাল হোসেন ইমন ও আজিজুল হাকিম তামিম।
পরে জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের ওপেনার জাওয়াদ আবরার (৫) ফিরেছেন শুরুতেই। তবে অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম ও রিফাত বেগ দলকে টেনেছেন দারুণভাবে। কিন্তু শেষের হিসেবটা মিলাতে পারেনি বাংলাদেশ।
আজিজুল হাকিম তামিম ৭২ বল খেলে ৫১ রান করে আউট হয়েছেন। ৩৭ বলে ৩৭ রান করেন রিফাত বেগ।