দ্বাদশ বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে আগে ব্যাটিং করে ১৩৩ রান তুলেছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এই রান নিয়েও যে ম্যাচ হাড্ডাহাড্ডি হবে সেটা পিচ দেখেই আন্দাজ করা যাচ্ছিল, হলোও তাই। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে জিতেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতে দ্বাদশ বিপিএলের ফাইনালে উঠে গেল চট্টগ্রাম। হারলেও ফাইনালের লড়াইয়ে টিকে থাকল রাজশাহী। আগামীকাল সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার খেলবে রাজশাহী। ওই ম্যাচে যারা জিতবে তারা হবে ফাইনালের দ্বিতীয় দল।
বিপিএলের নকআউট পর্বের দুটি ম্যাচই হলো লো-স্কোরিং। রংপুর রাইডার্স আর সিলেট টাইটান্সের মধ্যকার আগের ম্যাচটিতে একশ বিশেরও কম রান উঠেছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে রান উঠল একশ ত্রিশের ঘরে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৩৩ রানের জবাব দিতে নেমে ওপেনিংয়ে ৬৪ রানের জুটি পেয়েছে চট্টগ্রাম। তবে চট্টগ্রামকে চাপে ফেলেছে সেই জুটিই। কারণ ৬৪ রান তুলতে ১১.৩ ওভার ব্যাটিং করেছেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ।
নাঈম শেখ ৩৮ বলে ৩টি চারে ৩০ রান করে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। এরপর দুই পাকিস্তানি হাসান নাওয়াজ ও আসিফ আলি বলের সঙ্গে রানের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেছেন। দুজন ইনিংস অবশ্য বড় করতে পারেননি। তবে বলের সঙ্গে রানের প্রার্থক্য কিছুটা কমাতে পেরেছেন।
হাসান নাওয়াজ ১৪ বলে দুটি ছয়ে ২০ রান করে ফিরেছেন। আর আসিফ আলি ৮ বলে ১ ছয়ে ফিরেছেন ১১ রান করে। ১৯তম ওভারের শেষ বলে ফিরেছেন সেট ব্যাটার ওপেনার মির্জা বেগ। ৪৭ বলে ৪টি চারে ৪৫ রান করে ফিরেছেন মির্জা। তাতে চাপ বাড়ে চট্টগ্রামের।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৯ রান লাগত চট্টগ্রামের। রিপন মন্ডলের করা শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের হাতের মুঠোয় নেন চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মাহেদি। ৩ বল বাকি থাকতে জয়ের জন্য ১৩৪ রান তুলে ফেলে চট্টগ্রাম।
এর আগে রাজশাহীর ইনিংসের ওপেনিং জুটিটা ভালো হয়েছিল। রাজশাহীর পাকিস্তানি ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ১৯ বলে ২১ রান করে ফেরেন। অপর ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম করেছেন ৩৭ বলে ৩টি চার ১টি ছয়ে ৪১ রান। মিডল অর্ডারের কেউ দাঁড়াতেই পারেননি।
আট নম্বরে নেমে আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১৫ বলে ২টি চার ৩টি ছয়ে ৩২ রান করলে একশ ত্রিশের ঘরে যায় রাজশাহী। ২০ ওভারে ১৩৩ রানে গুটিয়ে গেছে দলটি। চট্টগ্রামের হয়ে শেখ মাহেদি ও আমির জামিল দুটি করে উইকেট নেন।