তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে সাইফ হাসানের ওপেনিং জুটিতে উঠল একশোর্ধ্ব রান। তানজিদ পরে ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। মিডল অর্ডারে রান পেয়েছেন তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাসরা। সব মিলিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয়টিতে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ।
নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান তুলেছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুটিতে একটি করে জিতেছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান। অর্থাৎ আজকের ম্যাচটির জয়-পরাজয়ে নির্ধারণ হবে সিরিজের জয়-পরাজয়। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বড় সংগ্রহই পেল বাংলাদেশ।
রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। অফ ফর্মে থাকা ওপেনার সাইফ হাসান আজও খুব একটা স্বাচ্ছেন্দে ব্যাট করতে পারেননি। তবে ছন্দে থাকা তানজিদ হাসান তামিম ব্যাট হাতে ছিলেন দুর্দান্ত। ইনিংসের শুরু থেকেই পাকিস্তানি বোলারদের বিপক্ষে দাপট দেখিয়েছেন।
শতরানের ওপেনিং জুটি পেয়েছে বাংলাদেশ। দলীয় ১০৫ রানের মাথায় সাইফ হাসান ৫৫ বলে ৩টি চারে ৩৬ রান করে ফিরলে এই জুটি ভাঙে। এরপর তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে বাংলাদেশকে টেনেছেন তানজিদ হাসান তামিম। শান্ত অবশ্য ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩৪ বলে ৩ চারে ফিরেছেন ২৭ রান করে।
এরপর লিটন দাসকে নিয়ে সেঞ্চুরির দিকে এগিয়েছেন তানজিদ হাসান। ৯৪ রান থেকে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন ৯৮তম বলে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির পর তানজিদ অবশ্য ফিরেছেন দ্রুতই। ব্যক্তিগত ১০৭ রান করে ফিরেছেন আবরার আহমেদের স্পিনে। ঠিক ১০৭ বল খেলে ৬টি চার ৭টি ছক্কার সাহায্যে এই রান করেন তিনি।
মিডল অর্ডারে রান পেয়েছেন লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়। শুরুটা যেমন হয়েছিল তাতে স্কোর তিনশ পেরিয়ে অনেকদূর যাওয়ার কথা থাকলেও লিটন-হৃদয় অবশ্য সেটা করতে পারেননি। তবে দুজনের ব্যাট বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং একটা স্কোর পাইয়ে দিয়েছে।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৬১ বলে ৬৮ রান তুলেছেন দুজন। তাওহিদ হৃদয় ৪৪ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। লিটন দাস ৫১ বলে ১টি করে চার-ছয়ে ৪১ বলে অপরাজিত ছিলেন।
পাকিস্তানের হয়ে হারিস রউফ ৫২ রানে তিন উইজেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।