আইপিএলের ইতিহাসে বিদেশি এশিয়ান ক্রিকেটারদের নিয়ে বিশেষ একাদশ তৈরি করেছে উইজডেন। তাতে জায়গা পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবেই এই স্বীকৃতি পেয়েছেন বাংলাদেশের এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
এশিয়ার ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া এই একাদশে একমাত্র বাংলাদেশি প্রতিনিধি সাকিব। ২০১১ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ৭১ ম্যাচ খেলে তিনি ৭৯৩ রান করেছেন। ব্যাট হাতে ২০ গড় ও ১২৪-এর বেশি স্ট্রাইক রেটে খেললেও বল হাতে ছিলেন আরও কার্যকর। ৭.৪৩ ইকোনমিতে তুলে নিয়েছেন ৬৩টি উইকেট, যা তাকে এই একাদশে জায়গা পেতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
উইজডেনের এই বিশেষ দলে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের আধিপত্য চোখে পড়ার মতো। ওপেনিং জুটিতে রাখা হয়েছে শ্রীলংকার সনাথ জয়াসুরিয়া ও আফগানিস্তানের রহমানউল্লাহ গুরবাজকে। তিন ও চার নম্বরে আছেন দুই লংকান কুমার সাঙ্গাকারা এবং মাহেলা জয়াবর্ধনে। পাঁচ নম্বরে জায়গা পেয়েছেন সাকিব আল হাসান।
অলরাউন্ডার বিভাগে দলে আছেন পাকিস্তানের আজহার মাহমুদ ও শ্রীলংকার থিসারা পেরেরা। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএলে সাধারণত নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ব্রিটিশ পাসপোর্টের কারণে কয়েক মৌসুম খেলতে পেরেছিলেন আজহার মাহমুদ।
বোলিং বিভাগে স্পিন আক্রমণ সামলাচ্ছেন শ্রীলংকার মুত্তিয়া মুরালিধরন ও আফগানিস্তানের রশিদ খান। আর পেস আক্রমণে আছেন লংকান লাসিথ মালিঙ্গা ও পাকিস্তানের সোহেল তানভীর, যিনি আইপিএলের প্রথম আসরেই সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করে আলোচনায় এসেছিলেন।
উইজডেনের আইপিএলের অভারতীয় এশিয়ান সেরা একাদশ: সনাথ জয়াসুরিয়া, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, সাকিব আল হাসান, আজহার মাহমুদ, থিসারা পেরেরা, রশিদ খান, মুত্তিয়া মুরালিধরন, সোহেল তানভীর ও লাসিথ মালিঙ্গা।