Friday 16 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ত্রিদেশীয় সিরিজে বিশ্বকাপে চোখ বাংলাদেশের

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:০৬

আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচের পর এখন ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামার অপেক্ষায় বাংলাদেশ। ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান এবং জিম্বাবুয়ে। এই সিরিজটা শুধুমাত্র একটা সিরিজ নয় বরং এটিকে আসন্ন এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেও নিচ্ছে বাংলাদেশ। এই সিরিজ জিতে এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের আগে মানসিকভাবে এগিয়ে থাকতে চায় বাংলাদেশ, তেমনটাই জানালেন স্পিনিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

আগামীকাল ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ১৯ অক্টোবর আফগানিস্তান খেলবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শীর্ষ দুই দল ফাইনাল খেলবে ২৩ অক্টোবর।

বিজ্ঞাপন

২০১৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন মোসাদ্দেক। সেই স্মৃতি টেনে মোসাদ্দেক বলেন, ‘২০১৯ সালের ত্রিদেশীয় সিরিজ আমাদের জন্য একটা অনুপ্রেরণা। সামনে এশিয়া কাপ, এরপর বিশ্বকাপ। এই ত্রিদেশীয় সিরিজগুলো জিততে পারলে আমার কাছে মনে হয়, আমরা সামনে অনেক আত্মবিশ্বাস পাব।’

কাল থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য সহজ হবে না বলেছেন মোসাদ্দেক। ডানহাতি অলরাউন্ডার বলেন, ‘আধুনিক ক্রিকেটে কোনো দলকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। আধুনিক ক্রিকেটে কোনো দেশ বা দলকেই ছোট বলা যাবে না। সাম্প্রতিক সময়ে সবাই ওয়ানডে ফরম্যাটে খুব ভালো করছে। আমার কাছে মনে হয়, এটা আমাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ, এখানে আমরা কত ভালো করতে পারি। এশিয়া কাপ কিংবা এশিয়া কাপের পরে বিশ্বকাপে যে চ্যালেঞ্জ আসবে, এই সময়গুলোতে দল হিসেবে ভালো করতে পারলে সেগুলো আমাদের জন্য সহজ হবে।’

বাংলাদেশ এখন দল হয়ে খেলার দিকে মনোযোগী। মোসাদ্দেক বলছেন, বড় প্রতিযোগিতায় ভালো করতে হলে দলে হয়ে খেলার বিকল্প নেই। মোদাদ্দেক বলেন, ‘আমরা যদি মাঠের ক্রিকেটটা ভালো খেলতে পারি, সেটা অনেক কিছুই প্রমাণ করে দেবে, আমরা কতটা ভালো দল। সেই জায়গা থেকে আমাদের সবাইকে মিলে প্রমাণ করতে হবে, দল হিসেবে আমরা কত ভালো খেলতে পারছি। ক্রিকেট কোনো ব্যক্তিগত খেলা নয়, এটা পুরোপুরি দলীয় খেলা। তাই দল হিসেবে আমরা কতটা ভালো করতে পারছি, সেটাই আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’

সারাবাংলা/এসএইচএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর