Saturday 17 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সুরের মূর্ছনায় বিপিএলের উদ্বোধনী মাতালেন রাহাত ফতেহ আলী

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ২২:৫৩
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মঞ্চে উঠেই বলে উঠলেন ‘ভালোবাসা বাংলাদেশ’। সেই থেকে প্রায় ঘণ্টা দুই ধরে বাংলাদেশি শ্রোতাদের সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে রেখলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) মিউজিক ফেস্টে দর্শক-শ্রোতাদের আজ সুরের জাদুতে মোহিত করেছেন পাকিস্তানের এই সংগীতশিল্পী।

‘বিপিএল টি-টোয়েন্টি মিউজিক ফেস্ট’ আয়োজনে অনেকের পরিবেশনাই ছিল। তবে মূল আকর্ষণ ছিলেন রাহাত ফতেহ আলী খান। রাত সাড়ে ৮টায় মঞ্চে উঠার কথা ছিল রাহাত ফতেহ আলী খানে। সেটা পিছিয়ে গেল নয়টা অবদি। তবে মঞ্চে উঠে অপেক্ষার ‘যন্ত্রণা’ মিটিয়ে দিয়েছেন নিমিশেই।

‘ভালোবাসা বাংলাদেশ। প্রথমবার বিপিএলে গাইতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিপিএলের সব দলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভ কামনা।’- মঞ্চে উঠে এভাবে বলেছেন। তারপর বাড়তি সময় না নিয়ে সোজা গানে গিয়েছেন পাকিস্তানি এই কিংবদন্তি শিল্পী। ‘আল্লাহ হু’ গান দিয়ে শুরু করেছিলেন নিজের পরিবেশনা। এরপর ‘খুদা অর মহব্বত’, ‘তেরে রাশকে কামার’, ‘পিয়া রে’, ‘আফরি আফরি’, ‘তেরে মাস্ত মাস্ত’সহ নানান গানের তালে মাতিয়ে রেখেছিলেন স্টেডিয়ামপাড়া।

বিজ্ঞাপন

মাঝখানে সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাংলা গানও গেয়েছেন পাকিস্তানি এই শিল্পী। ঘোষণা দেন, ‘এবার আমি বাংলাদেশের গান গাইব। দুই দেশের জনপ্রিয় শিল্পী রুনা লায়লার সুরে কবির বকুলের লেখা ‘ভালোবাসা আমার পর হয়েছে’ গানটি শোনাব।’ রাহাত ফতেহ আলীর সঙ্গে সুর মিলিয়েছে পুরো স্টেডিয়াম।

প্রায় দুই ঘণ্টার পরিবেশনায় রীতিমতো মুগ্ধ করে রেখেছিলেন। যখন কনসার্ট শেষ হলো তখনও দর্শক-শ্রোতাদের মুখে রাহাত ফতেহ আলীর সুর গুন গুন শোনা গেছে।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘বিপিএল টি-টোয়েন্টি মিউজিক ফেস্ট’ আয়োজনে অনেক কিছুই ছিল।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রয়াত উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে এক মিনিটের নীরবতা পালন করার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আয়োজন। শুরুতে ‘অ্যাভয়েড রাফা’র পরিবেশনা। এরপর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ মঞ্চে উঠে বক্তব্য দেন। জুলাই অভ্যুত্থানের বেশ কয়েকজন আহত এসেছিলেন মঞ্চে। জুলাই গণ আন্দোলনের ওপর বিশেষ প্রদর্শনী দেখানো হয় মঞ্চে।

এরপর গানের পরিবেশনায় যোগ দেন জেফার, মুজা ও সঞ্জয়। পালা করে ঘণ্টাখানেক পারফর্ম করেন তারা। এরপর মঞ্চ মাতিয়েছেন ‘মাইলস’।

এরপর গ্রাফিতি প্রদর্শন, আতশবাজি, ট্রফি উন্মোচন এবং আয়োজনের পৃষ্ঠপেষক কোম্পানির কর্মকর্তাদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়। মঞ্চে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন রাহাত ফতেহ আলী খান। সবাইকে সুরের জাদুতে মাতিয়ে তবেই বিপিএলের উদ্বোধনী শেষ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ঢাকার মতো বিপিএলের অপর দুই ভেন্যু চট্টগ্রাম ও সিলেটেও বিপিএলের মিউজিক ফেস্ট আয়োজিত হবে। ৩০ ডিসেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে বিপিএলের মাঠের লড়াই।

সারাবাংলা/এসএইচএস
বিজ্ঞাপন

আরো