ঢাকা: উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন মিয়ানমার উপকূলে অবস্থানরত নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় বাংলাদেশে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, শক্তি সঞ্চয় করে এটি আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে এরই মধ্যে সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিন সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা পূর্বাভাসে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে জানানো হয়, সোমবার বিকেল ৩টায় গভীর নিম্নচাপটি সমুদ্র অববাহিকার একই এলাকায় অবস্থান করছিল। বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের একটি বর্ধিতাংশ ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত।
যদিও বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে, তবে এই আবহাওয়া ব্যবস্থার কারণে উপকূলীয় ও নদী অববাহিকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ধাপে ধাপে বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী কয়েক দিনে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের নদী অববাহিকায় কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অত্যন্ত ভারী বর্ষণ হতে পারে।
চলতি সপ্তাহে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় অধিবাসীদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।