ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, অতি বৃষ্টিপাতের ফলে এখন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোথাও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় না। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সংস্কার কার্যক্রম চলমান থাকায় ও কার্যকরী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করার ফলে এই সমস্যার সমাধান হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) গাবতলীর প্রস্তাবিত কাঁচাবাজারে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গতিশীল ও আধুনিক করতে পাঁচটি নতুন কন্টেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসা বাড়ির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে এসটিএস এর মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক করার জন্য ৫টি ক্যারিয়ার ট্রাক উদ্ধোধন করা হলো। আগামীতে আরও ১০টি কন্টেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক যুক্ত করা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরো সহজ, দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করে নগরবাসীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর উপহার দেওয়ার জন্য ডিএনসিসি সর্বদা সচেষ্ট।
তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ১৮০টি থেকে ২০০টি গাড়ির মাধ্যমে প্রতিদিন ঢাকা শহরের চার হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করছে। নগরবাসীকে আরও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে নতুন পাঁচটি কন্টেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক যোগ করা হলো। এই গাড়িগুলোর মাধ্যমে সহজে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে ময়লা আবর্জনা অপসারণ করে নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া হবে।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর ৯০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি আওতায় কাজ শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সর্বদা মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।
ডেঙ্গু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে ডিএনসিসি কাজ করছে। এই কার্যক্রমের আওতায় প্রতিদিন পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ও জরিমানা করা হচ্ছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।
সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) থেকে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণে এসব ট্রাক ব্যবহার করা হবে। নতুন ভারী যানগুলো যুক্ত হওয়ায় ডিএনসিসির বর্জ্য পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে কম সময়ে বর্জ্য নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে নেওয়া সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, প্রধান প্রকৌশলী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল রাকিব হাসান ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম ইমরুল কায়েসহ উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভাগীয় কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।