Thursday 24 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে আগ্রহী: ড. মঈন খান

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫৪

ঢাকা: স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে আগ্রহী। তা সে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হোক, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন হোক, বা বৃহৎ পরিসরে ডিজিটালাইজেশনই হোক। একই সঙ্গে, আমরা বিশ্বাস করি যে শুধুমাত্র সরকার-থেকে-সরকার’ পর্যায়ের সহযোগিতাই যথেষ্ট নয়; আমাদের অবশ্যই চীনা ও বাংলাদেশিদের মধ্যে আরও বেশি ‘জনগণের সাথে জনগণের’ যোগাযোগের সুযোগ প্রদান করতে হবে, আমাদের সেই সুযোগ তৈরি করতে হবে।

বুধবার রাতে (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকার চীনা দূতাবাস।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান আরো বলেন, বাংলাদেশ চীনকে আমাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে। আমাদের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প এবং সর্বোপরি সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিস্তৃত। বিগত দশকে চীনের রাষ্ট্রপতির এ দেশে ঐতিহাসিক সফর থেকে শুরু করে মাত্র কয়েক মাস আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর পর্যন্ত যে উচ্চ পর্যায়ের মতবিনিময় হয়েছে, তা যুগান্তকারী প্রকল্প এবং চুক্তিগুলোর পথ প্রশস্ত করেছে; যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে অব্যাহত সহায়তা করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারকে চীন সমর্থন করে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীন সমর্থন দেয়, বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে বাংলাদেশের বৃহত্তর ভূমিকা পালনকে সমর্থন করে। এই বছর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর প্রথম চীন সফর করেছেন। যার মাধ্যমে দুই দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি অংশীদারিত্বমূলক ‘চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব’-এ উন্নীত করেছে। এর ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে একটি শক্তিশালী গতি সঞ্চার হয়েছে।

তিনি বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সেরা অবস্থানে রয়েছে। চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব উভয় দেশ ও জনগণের মৌলিক স্বার্থ রক্ষা করে এবং এটি সময়ের স্রোতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কোনো ঝড়ই আমাদের এই সম্পর্কের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াকে রুখে দিতে পারবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ৷ এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণি পেশার প্রতিনিধি অংশ নেন।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর