Saturday 26 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

ঢাবি করেস্পন্ডেন্ট
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:৪২

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

ঢাবি: শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি বিতর্ক, সাংস্কৃতিক ও অন্যান্য সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস) ও অ্যাকশনএইড আয়োজিত ‘DUDS-ActionAid National Debate Festival-2026’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪টি দল এতে অংশ নিচ্ছে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের সমন্বিত বিকাশের মাধ্যমেই ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক ও নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব। শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। আগামী ১০, ১৫ বা ২০ বছর পর তারাই দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করবে। তাই এখন থেকেই নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, রাজনীতি, সমাজনীতি বা অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখলেও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। বিতর্ক শিক্ষার্থীদের যুক্তিনির্ভর চিন্তা, মত প্রকাশ ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে শুধু বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণই যথেষ্ট নয়; সামগ্রিক জ্ঞান ও দক্ষতা বিকাশে বিভিন্ন সৃজনশীল ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সম্পৃক্ত হতে হবে।

নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৬০ বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। হলের প্রতিনিধিত্ব করে টানা তিন বছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

ছাত্রসমাজের বিভিন্ন অন্যায় ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কথা বলার সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে ছাত্রসমাজ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে। এই শক্তি ও দায়িত্ববোধকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, একটি দেশের অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়। জ্ঞান, গবেষণা ও শিক্ষার শক্তির ওপর ভিত্তি করেই একটি দেশ দীর্ঘমেয়াদে এগিয়ে যেতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ঐতিহ্য ধরে রাখতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

ডিইউডিএসের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ডিবেটিং সোসাইটিকে শুধু বিতর্ক আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও নেতৃত্বে সমৃদ্ধ একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে বিশ্বপরিসরে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখবে।

সারাবাংলা/কেকে/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর