পানির ওপরে লম্বালম্বিভাবে বাঁশ বা কলাগাছ ফেলে তার ওপর কচুরিপানা স্তূপ করা হয়। পরে সেই স্তূপ শেওলা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। শেওলা পচে শুকিয়ে গেলে তার ওপর সামান্য মাটি ছিটিয়ে বিভিন্ন সবজির বীজ বপন করা হয়। সবজি চাষ শেষ হলে ওই পচা ধাপ বোরো চাষের আগে জমিতে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করেন। ভাসমান কৃষি পদ্ধতিতে এভাবেই বিভিন্ন সবজি চাষ এবং চারা উৎপাদন করছেন বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের কৃষকেরা। স্থানীয়ভাবে এটি ধাপ পদ্ধতি নামেও পরিচিত। জেলার আগৈলঝাড়া ও উজিরপুর উপজেলা এবং পিরোজপুরের নাজিরপুর ও স্বরূপকাঠি উপজেলার বিস্তীর্ণ জলাভূমিতেও চলছে এভাবে সবজি চাষ। এখানে উৎপাদিত চারাগুলো ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সম্প্রতি বরিশাল ঘুরে ভাসমান পদ্ধতির এই চাষাবাদের ছবিগুলো ফ্রেমবন্দি করেছেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান।
ছবির গল্প / ভাসমান চাষে সবজি উৎপাদন
সারাবংলা/পিটিএম