ঢাকা: রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বরে উচ্ছেদ অভিযানের সময় পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেছেন, অভিযানের জন্য পুলিশ আসার কথা থাকলেও সেখানে একজন পুলিশ সদস্যকেও পাওয়া যায়নি। এরপরও নিয়ম অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। হামলাকারীরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মিরপুর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, অবৈধভাবে কাউকে ফুটপাত দখল করতে দেওয়া হবে না। উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়া, হামলা ও অরাজকতা সৃষ্টির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজও মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল করে রাখা ব্যক্তিরা এবং তাদের ইন্ধনে সিটি করপোরেশনের পরিবহন, সাংবাদিক ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা করা হয়েছে। পরে স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করছি, নগরসেবার জন্য আমার প্রিয় নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত উদ্ধারের যে কর্মসূচি রয়েছে, তা চলমান থাকবে।
প্রশাসক বলেন, যারা এ অরাজকতার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা হবে। ডিএনসিসির পক্ষ থেকেও মামলা করা হবে। তদন্ত করে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। অবৈধভাবে কাউকে এখানে ফুটপাত দখল করতে দেব না। আজকে প্রমাণ হয়েছে মিরপুরের সাধারণ জনগণ ফুটপাত দখলমুক্ত চায়। কারও ইন্ধনে আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, মিরপুর-১০ গোলচত্বর ও ফুটওভারব্রিজ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শেষে সেখানে গাছ লাগানো হয়েছে, যাতে জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা করতে পারেন। একইভাবে আজকের উচ্ছেদ করা জায়গাতেও পরিকল্পনা অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে।