নাটোর: জেলার লালপুরে পদ্মার চরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে নাটোরের লালপুর, রাজশাহীর বাঘা, পাবনার ঈশ্বরদী, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এদিন দুপুর ১২টার দিকে লালপুর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক।
প্রেস ব্রিফিংয়ে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতার ১৩ জনের মধ্যে ৪ জন গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত, ২ জন মোবাইল-সংক্রান্ত সাইবার হ্যাকিং মামলার আসামি, ১ জন মাদক মামলার এবং ৩ জন পেনাল কোডের মামলার আসামি। এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আরও ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— লালপুর উপজেলার গোপালপুর মধুবাড়ী এলাকার ব্রজেন্দ্রনাথ লালের ছেলে অশিষ লাল ভৌমিক (৪৫), জোকাদহ গ্রামের হারেজ সরদারের ছেলে কামরুল সরদার (৩৫), টিটিয়া রাকসা এলাকার মৃত শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. সুজন (৩০), একই এলাকার ফরিদ শেখের ছেলে জুয়েল রানা (৪৪), অমরপুর এলাকার লোকমান হোসেনের ছেলে আকাশ হোসেন (২২) ও মো. লিখন (১৬), মোহরকয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার আব্দুল মতিনের ছেলে মো. নয়ন (৩৬), বেরিলাবাড়ি এলাকার মৃত খোদাবক্স প্রামাণিকের ছেলে মো. শাহ আলম (৪৫), একই এলাকার নুর আলমের ছেলে মো. মোস্তফা কামাল (৩৫) ও মৃত জনাব আলীর ছেলে মো. আজাহার আলী (৫০), কৃষ্ণপুর মালপাড়া গ্রামের আকছেদ আলীর ছেলে মো. পলাশ ইসলাম (২৫) ও মো. রুস্তম আলীর ছেলে মো. সম্রাট আলী (২৪) এবং বিরোপাড়া এলাকার মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. শাকিল হোসেন (৩৮)।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক বলেন, ‘লালপুরের পার্শ্ববর্তী রাজশাহীর বাঘা, পাবনার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এলাকায় একটি অপরাধী চক্র গড়ে উঠেছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। চক্রটি অবৈধ বালু উত্তোলনসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে পুলিশ কাজ করছে ‘
তিনি আরও বলেন, ‘অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অপরাধ থেকে সরে আসতে হবে। অন্যথায় তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ দমনে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।