Sunday 18 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: একই পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১১:২৪

নিখোঁজ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাদের দুই শিশুসন্তান রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)।

যশোর: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে রিসোর্টে থাকা যশোরের একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তারা হলেন- যশোরের মনিরামপুর পৌরসভার মোহনপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাদের দুই শিশুসন্তান রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)।

নাহিদুর ঢাকায় শ্যামলীতে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ছিলেন। পরিবার নিয়ে তিনি ঢাকার মিরপুর শেওড়াপাড়াতে থাকতেন। অগ্নিকাণ্ডের পর নাহিদুরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করছেন পরিবারের সদস্য ও কর্মক্ষেত্রের সহকর্মীরা। তবে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১২টা পর্যন্ত তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্বজনদের আশঙ্কা, উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহের মধ্যে তারাও থাকতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

নাহিদুর নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তার বড়ভাই জাহিদুর রহমান নিশ্চিত করে জানান, নাহিদুর ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত রিসোর্টের একটি কক্ষ বুকিং করেছিলেন। নাহিদুর ১১ অক্টোবর রিসোর্ট বুকিং দিয়েছিলেন। ১৮ অক্টোবর দুপুর ১টায় তাদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল।

জাহিদুর জানান, নাহিদুর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) কক্সবাজার যাবেন বলে বলেছিলেন। শনিবার আগুনের ঘটনা জানার পর ভাইকে মোবাইলে ফোন দেন। কিন্তু তিনি মোবাইলে নাহিদুর বা পরিবারের কাউকে পাচ্ছেন না। মোবাইল ফোনে তার ভাইদের না পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় নিজে রওনা হয়েছেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, নাহিদ নিখোঁজ রয়েছেন, এটি জানা গেছে। বাকিদের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। ছয়জন নিখোঁজ ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলেও বাকি চারজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে বাকী চারজন নাহিদুরের পরিবার।

এর আগে, শনিবার সকালে উখিয়া উপজেলার মেরিন ড্রাইভের ইনানীর পাটুয়ার টেকের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লেগে ১০ জন নিহত হন। এদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন।