Wednesday 04 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘বীরশ্রেষ্ঠদের নাম বিস্মৃত হয়ে যাচ্ছে’

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৩:৫৭
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রাম ব্যুরো: মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠদের নাম বিস্মৃত হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে নগরীর পাহাড়তলী বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে  সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পাহাড়তলী বধ্যভূমির বিষয়ে চট্টগ্রামের অনেক মানুষ জানেন না, এ ব্যাপারে চসিক কী ভাবছে-  সাংবাদিকদদের এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “এখানে অবশ্যই আমরা ইতিহাসকে সংরক্ষিত রাখব। অসংখ্য শহিদ পরিবার আছে যাদের কথাগুলো লেখা নেই। তারা এটা নিয়ে অনুশোচনা করে। আমরা স্মরণ করছি না, অথচ তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। চট্টগ্রামে যে সাগরিকা স্টেডিয়াম আমরা করেছিলাম, সেটাকে আরাফাত রহমান কোকো নাম দিয়েছিলেন ‘বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম’। এভাবে আজ বীরশ্রেষ্ঠদের নামগুলো বিস্মৃত হয়ে যাচ্ছে।”

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘সেখানে আমাদের রাজনীতিবিদদের নাম ঢুকিয়ে দিতে চাচ্ছে। যতদিন আমি ক্ষমতায় থাকব এবং জনগণ আমাকে এখানে রাখবে আমি ইতিহাসকে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করব। মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের সেভাবে জায়গা দিতে হবে। ঠিক সেভাবে জুলাই-আগস্টে যারা জীবন দিয়েছে, সেসব ছাত্র-শ্রমিক ভাইদেরকেও আমাদের স্মরণ করে রাখতে হবে।’

শিক্ষাবিহীন দেশ করতে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল উল্লেখ করে চসিক মেয়র বলেন, ‘এখানে যাতে সর্বসাধারণ আসতে পারে, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সে উদ্যেগ নেওয়া হবে। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল। বুদ্ধিজীবীরাই দেশের মেরুদণ্ড। শিক্ষাবিহীন দেশ করতে সেদিন পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওই সময়কার অধ্যাপক, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, রাজনীতিবিদদের খুন করা হয়েছিল।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ছবি: সারাবাংলা

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের যেসব বুদ্ধিজীবীরা আছে, এ ক্রান্তিকালে মানুষের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন হয়েছে- একটি মেধাবী রাষ্ট্র গঠন করার জন্য। দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধশালী একটি বাংলাদেশ আমাদের গড়তে হবে। একটি ঐক্যের জায়গায় আমাদের আসতে হবে।’

এ সময় চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ও সচিব আশরাফুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সারাবাংলা/আইসি/ইআ/আরএস