Monday 28 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘চাঁদাবাজি বন্ধ হলে একটি দল নেতা-কর্মী শূন্য হয়ে যাবে’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
৫ জানুয়ারি ২০২৫ ২২:৫৮
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাকা: চাঁদাবাজি বন্ধ হলে অতীতের ক্ষমতায় থাকা একটি দল নেতা-কর্মী শূন্য হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

রোববার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে পুরানা পল্টনের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের নেতাদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘অতীতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা একটি রাজনৈতিক দল তাদের নেতা-কর্মীদের চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও দুর্নীতি বন্ধে ব্যার্থ হয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, চাঁদাবাজি-দুর্নীতির পথ বন্ধ হলে তাদের দল নেতা-কর্মী শূন্য হয়ে পড়বে। আগামীতে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। এজন্য চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান হতাশাজনক।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লব মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া ও অধিকারহারা মানুষকে মুক্ত করার জন্য হয়েছে। অথচ তারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারে গুরুত্ব না দিয়ে নির্বাচনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।’

গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘যারা শহিদ হয়েছেন ও আহত হয়েছেন তারা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ত্যাগ করেছেন। অতীতে দুর্নীতিতে রেকর্ড করা কোনো দলকে ক্ষমতায় নেওয়া আর শুধু নির্বাচনের জন্য এ ত্যাগ করেনি। ৫৩ বছরে যারাই ক্ষমতায় ছিল তারা লুটেপুটে আঙ্গুল ফুলে বটগাছ হতে কাজ করেছে। এখনো আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, হাত বদল হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জুলাই বিপ্লবে প্রকাশ্যে শুরু থেকে ছিল। যে দল বলেছিল ছাত্রদের আন্দোলনের সঙ্গে আমরা নাই, তারা এখন আবার কৃতিত্ব নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ক্ষমতায় গিয়ে সংস্কারের কথা বলা এক ধরনের ধোকা । অতীতেও এসব দল জনগণকে ধোকা দিয়েছে। আগামীত বাংলাদেশকে এ ধরনের দলের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাওলানা শেখ লোকমান হোসেন জাফরী, সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কবির, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার ও জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হানিফ মিয়া প্রমুখ।

সারাবাংলা/এজেড/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো