Sunday 27 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যশোরে সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি অজ্ঞাত

লোকাল করেসপন্ডেন্ট
৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৪৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

যশোর: মনিরামপুরে সাংবাদিক রানা প্রতাপ বৈরাগীকে (৪০) গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে, তবে পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। নড়াইল থেকে প্রকাশিত দৈনিক ‘বিডি খবর’পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন রানা প্রতাপ।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মনিরামপুরের কপালিয়া বাজারে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে ডেকে নিয়ে প্রকাশ্যে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনও পুলিশ উদ্‌ঘাটন করতে পারেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

নিহত রানার বাবা তুষার কান্তি বৈরাগী বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে মনিরামপুর থানায় মামলাটি করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রানা জেলার কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি চরমপন্থি দলের সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, কপালিয়া বাজারে রানার একটি বরফ তৈরির কারখানা রয়েছে। এছাড়া কেশবপুর উপজেলার কাটাখালী বাজারে তার একটি মাছের আড়ৎও রয়েছে। রানা
প্রতাপ বৈরাগীর বাবা তুষার কান্তি বৈরাগী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি কেশবপুর উপজেলার চুয়াডাঙ্গা কৃষ্ণনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। চার বছর আগে তিনি অবসরে যান। রানা প্রতাপ বৈরাগীরা দুই ভাইবোন। বোনের বিয়ে হয়েছে। রানা প্রতাপের ১০ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

তুষার কান্তি বৈরাগী বলেন, রানার বরফকলের ব্যাবসার পাশাপাশি মাছের আড়তের ব্যাবসা আছে। এ ছাড়াও, সে গান বাজনা করতো। সোমবার কপালিয়া বাজারের বরফ কলে যাওয়ার কথা বলে সে মোটরসাইকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে তিনি ছেলের মৃত্যু সংবাদ পান।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রজিউল্লাহ খান বলেন, সোমবার বিকেলে রানা প্রতাপ বৈরাগী মণিরামপুর উপজেলার কপালিয়া বাজারে তার বরফ কলে অবস্থান করছিলেন। সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে একটি মোটরসাইকেলে করে আসা তিন দুর্বৃত্ত তাকে বরফকল থেকে ডেকে কপালিয়া বাজারের পশ্চিম পাশে, কপালিয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনের গলিতে নিয়ে যায়। এরপর দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে তার মাথায় গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহত রানা প্রতাপ বৈরাগীর বিরুদ্ধে আগেই অভয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা এবং কেশবপুর থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা রয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, চরমপন্থি সংশ্লিষ্টতা এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার-চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধে রানা প্রতাপ খুন হতে পারেন।

মণিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ইমদাদুল হক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না দন্তের পর যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গ থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রানা প্রতাপ বৈরাগী হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। আশা করছি দ্রুত এ হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটন সম্ভব হবে। হত্যাকারীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম একযোগে কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

লিড নিয়েও চাইনিজ তাইপের বিপক্ষে হার
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:৩০

আরো

সম্পর্কিত খবর