সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে নিয়ম না মেনে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার মজুত রাখার অভিযোগে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ মো. মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বা পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ বাতিল করেছে সংগঠনটি। সদস্যপদ বাতিল হওয়ায় তিনি এখন থেকে সংগঠনের নায়েবে আমির-২ পদেও দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম।
তিনি জানান, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিল করা হয়েছে। আর রুকন পদ হারানোর সঙ্গে সঙ্গে তার উপজেলা পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্বও আর বহাল থাকছে না।
মনিরুল ইসলাম ছোট ধোপাকান্দি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির-২ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।
জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। এ সময় নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুত রাখার অভিযোগে তাকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি গুদামে থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করে সরকারি হেফাজতে নেওয়া হয়।
জামায়াতের সাংগঠনিক কাঠামোয় রুকনিয়াতকে পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নির্ধারিত সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্ত পূরণকারী কর্মীরাই এ সদস্যপদ পেয়ে থাকেন।