Sunday 01 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নওগাঁয় গাজা-চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১ নভেম্বর ২০২৬ ১৮:৫৪

গ্রেফতার ব্যক্তিরা।

নওগাঁ: নওগাঁয় পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৪ কেজি গাঁজাসহ চার মাদক ব্যবসায়ী এবং ভ্যান চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে নওগাঁর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

এ ছাড়া অভিযানে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ৫১৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গ্রেফতার চার মাদক ব্যবসায়ী হলেন- মান্দা উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার আরিফ হোসেন (৩০), মহাদেবপুর উপজেলার শেরপুর কুড়ালিপাড়া এলাকার মোশাররফ (৩৩), বদলগাছী উপজেলার শিলং (২৩) এবং একই উপজেলার আরাফাত (২৩)। অন্যদিকে ভ্যান চুরির ঘটনায় গ্রেফতাররা হলেন- ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার রঘুনাথপুর নর্দগ্রাম এলাকার মো. সালাম (৪৮) ও তার ছেলে মো. নয়ন।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে জানান, মান্দা থানা এলাকায় মাদকের বড় ধরনের মজুত রয়েছে-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে রঘুনাথপুর গ্রামের আরিফ হোসেনের বাসায় অভিযান চালিয়ে স্টিলের ট্রাংক থেকে ২০ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য থেকে নওগাঁ সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মোশাররফকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে মোশারফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বদলগাছী থেকে আরও দুই সহযোগী শিলং ও আরাফাতকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে আরও দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সবমিলিয়ে মোট ২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।

ভ্যান চুরির অভিনব কায়দা ও রহস্য উদ্ঘাটন

পুলিশ জানায়, গত ২৬ নভেম্বর বাহাদুর নামের এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন যে, মধু বিক্রির কথা বলে প্রতারক চক্র নওগাঁ শহরের গোস্তহাটি থেকে তার একমাত্র আয়ের উৎস ভ্যানটি ভাড়া নেয়। এরপর চালককে কৌশলে সরিয়ে তারা ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় মামলা হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে নাটোর থেকে চোরাই ভ্যানসহ চোর চক্রের মূলহোতা সালাম ও তার ছেলেকে গ্রেফতার করে।

হারানো মোবাইল উদ্ধার ও হস্তান্তর

পুলিশ সুপার আরও জানান, গত এক মাসে বিশেষ অভিযান চালিয়ে হারিয়ে যাওয়া ৮০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত মোট ৫১৭টি হারানো বা মিসিং মোবাইল উদ্ধার করে তা প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মাদক ও অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসিবুল্লাহ হাবিবসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর