Sunday 01 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ডিসেম্বরের মধ্যে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা ৮০ শতাংশ কমবে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৭ মে ২০২৬ ০০:৫৩
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রাম: জেলার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে এবং চলমান কার্যক্রম সফল হলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নগরীর ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ১৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গঠিত এই কমিটি এরইমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। নৌপরিবহন, ভূমি, পরিকল্পনা ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর প্রতিনিধিরা বিভিন্ন খাল ও নদীর সংযোগস্থল এবং ড্রেজিং কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ভৌগোলিক অবস্থান ও জোয়ার-ভাটার প্রভাবের কারণে সমস্যাটি প্রযুক্তিগতভাবে জটিল হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া খালের পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং ময়লা আবর্জনা রোধে নেটিং ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেবে না, এজন্য নাগরিকদের সচেতনতা জরুরি। তিনি আরও জানান, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে খাল থেকে তোষক, চেয়ার, টেবিল ও পলিথিন এমনকি নির্মাণাধীন ভবনের বালু ও বর্জ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা পানি প্রবাহে বড় বাধা।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, কর্ণফুলী নদী ও সাগরে পানি যাওয়ার পথ সচল রাখা বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব এবং এ কাজে সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সংস্থাকে সব ধরণের সহযোগিতা দেওয়া হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের পক্ষ থেকেও জলাবদ্ধতা নিরসনে সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

খাল সংস্কার ও বর্তমান অবস্থা চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, বর্তমানে ৫৭টি খাল এবং প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার ড্রেন পরিষ্কারের কাজ চলছে। সিডিএ ৩৬টি এবং চসিক ২১টি খালের কাজ তদারকি করছে। এছাড়া হিজড়া খাল, জামালখান খাল, রামপুরা খাল ও আজববাহার খাল প্রশস্ত ও গভীর করার কাজ করছে ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করলে আগামী বর্ষা মৌসুমে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে।

সভায় আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান মো. নুরুল করিম, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, ওয়াসা, পুলিশসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার শীর্ষ কমকর্তারা।

সারাবাংলা/এসএন/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর