Tuesday 22 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

শাকসু নির্বাচন স্থগিতে জকসুর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

জবি করেসপন্ডেন্ট
২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:২০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জবি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (শাকসু) নির্বাচন আদালতের মাধ্যমে স্থগিত করাকে অগণতান্ত্রিক ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জকসুর এজিএস মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিটি জকসুর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রাণ। এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে এবং ক্যাম্পাসে জবাবদিহিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়। পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আদালতের মাধ্যমে তা চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মতামত ও ভোটাধিকারের সরাসরি লঙ্ঘন।

বিজ্ঞাপন

জকসু জানায়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও ন্যায্য দাবির পর নির্বাচন কমিশন শাকসু নির্বাচনের অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন পেশিশক্তি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আদালতের মাধ্যমে সেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা রুদ্ধ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর আগেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে এ ধরনের হস্তক্ষেপ দেখা গেছে। ফলে এটি একটি ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যার উদ্দেশ্য দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রসংসদ ব্যবস্থাকে কার্যত অকার্যকর করে রাখা।

জকসু মনে করে, জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী সময়ে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, শাকসু নির্বাচন স্থগিতের ঘটনা সেই প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ইতোমধ্যে দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে নানা বাধা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।

জকসু স্পষ্টভাবে জানায়, শাকসু শিক্ষার্থীরাও কোনো পেশিশক্তি, রাজনৈতিক চাপ বা দলীয় স্বার্থের কাছে নিজেদের ভোটাধিকার বন্ধক দেবে না। নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে, যার দায় সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রসংসদ নির্বাচন কোনো লেজুড়বৃত্তি প্রক্রিয়া নয়, এটি শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। সেই অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য শাকসু নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানায় জকসু।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর