Saturday 26 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

ইবিতে কৃষির ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট’ অনুষ্ঠিত

ইবি করেসপন্ডেন্ট
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:০০

ইবি: কৃষি গবেষণা, উদ্ভাবন ও টেকসই কৃষিতে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট–২০২৬’।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ‘ইবি আইএএস বাংলাদেশ’ ও ‘ক্বামারুন এগ্রো ফার্ম’-এর যৌথ উদ্যোগে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ‘গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংযোগে টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত সামিটে কৃষির আধুনিকায়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার, টেকসই কৃষি, কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি ও গবেষণার ফল মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের সার্ক অঞ্চলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ড. মো. সামিউল ইসলাম, কাজী কনসালট্যান্টসের অধ্যাপক এস. এম. আরিফুজ্জামান এবং চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানা।

ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ বলেন, ‘তরুণদের শুধু সনাতন কৃষিতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই কৃষিতে তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে।’

অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও জ্ঞানকে শুধু গবেষণাপত্রে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অণুজীববিজ্ঞানের ব্যবহারও এখন সময়ের দাবি।’

ড. মো. সামিউল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি খাতকে লাভজনক ও টেকসই করতে অ্যাগ্রো-ইকোনমি ও এগ্রো-বিজনেসকে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ ও স্টার্ট-আপের জন্য সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।’

অধ্যাপক এস. এম. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে দক্ষ তরুণরা কৃষির উৎপাদনশীলতা আরও বাড়াতে পারে। এজন্য প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনা এবং শিল্প ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে কার্যকর সংযোগ।’

চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানা বলেন, ‘কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ ও সফলতার গল্পগুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরলে নতুন উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হবেন। একই সঙ্গে কার্যকর প্রচার ও বিপণনব্যবস্থা কৃষিভিত্তিক উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

আয়োজকরা জানান, সামিটে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। গবেষণাকে মাঠপর্যায়ের উদ্ভাবনে রূপান্তর, কৃষিভিত্তিক নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে এ সামিট ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর