Monday 23 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প কিছু মেসেজিং অ্যাপ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫১

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি পলিসি বা বিভিন্ন দেশে এটি ব্লক করার খবরের কারণে ব্যবহারকারীরা এখন বিকল্প অ্যাপের দিকে ঝুঁকছেন। সম্প্রতি রাশিয়া সরকারও তাদের নিজস্ব অ্যাপ জনপ্রিয় করতে হোয়াটসঅ্যাপের পরিষেবায় বাধা সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হওয়া রোধে এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ সচল রাখতে বিকল্প ও নিরাপদ অ্যাপগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরি।

এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনসহ নিরাপদ কয়েকটি মেসেজিং অ্যাপের বিষয়ে দেওয়া হলো…

সিগন্যাল (Signal): প্রাইভেসির রাজা

নিরাপত্তার দিক থেকে বিশেষজ্ঞ ও হ্যাকারদের প্রথম পছন্দ সিগন্যাল। হোয়াটসঅ্যাপের মতো এতেও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন থাকলেও এর বড় সুবিধা হলো— এটি ব্যবহারকারীর কোনো ‘মেটাডেটা’ সংগ্রহ করে না। অর্থাৎ, আপনি কার সাথে কখন কথা বলছেন তার কোনো রেকর্ড কোম্পানির কাছে থাকে না।

বিজ্ঞাপন

টেলিগ্রাম (Telegram): ফিচারের ভাণ্ডার

বিশ্বজুড়ে প্রায় ৭০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী নিয়ে টেলিগ্রাম এখন হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। এতে বিশাল সাইজের ফাইল শেয়ারিং এবং বড় গ্রুপ বা চ্যানেল খোলার সুবিধা রয়েছে। তবে মনে রাখবেন, টেলিগ্রামের সাধারণ চ্যাটে এনক্রিপশন থাকে না, এজন্য আপনাকে ‘Secret Chat’ মোড ব্যবহার করতে হবে।

থ্রিমা (Threema): শতভাগ পরিচয়হীনতা

যারা নিজেদের ফোন নম্বর বা ইমেইল শেয়ার করতে চান না, তাদের জন্য ‘থ্রিমা’ সেরা সমাধান। এটি একটি পেইড অ্যাপ হলেও এতে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য ছাড়াই চ্যাট করা সম্ভব। এটি সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স এবং কোনো মেটাডেটা সংরক্ষণ করে না।

ভাইবার (Viber): পুরনো কিন্তু কার্যকর

হোয়াটসঅ্যাপের জনপ্রিয় একটি বিকল্প হলো ভাইবার। এতে মেসেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাওয়ার (Self-destruct) দারুণ ফিচার রয়েছে। তবে ভাইবারে মাঝেমধ্যে বিজ্ঞাপন দেখা যায় এবং এর ভিডিও কলিং সুবিধা মূলত ভাইবার ইউজারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

ওয়্যার (Wire): মাল্টি-ডিভাইস ব্যবহারের জন্য

ওয়্যার একটি ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক নিরাপদ অ্যাপ। যারা একইসাথে কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং ফোনে মেসেজিং করতে চান, তাদের জন্য এটি বেশ কার্যকর। তবে এটি ব্যবহারকারীর কিছু মেটাডেটা সংরক্ষণ করে, যা অনেক সময় প্রাইভেসি সচেতনদের জন্য চিন্তার কারণ হতে পারে।

ডিসকর্ড (Discord): গেমিং ও বড় কমিউনিটির জন্য

ডিসকর্ড মূলত গেমারদের জন্য তৈরি হলেও বর্তমানে এটি শক্তিশালী একটি সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম। এখানে বড় বড় ‘সার্ভার’ বা গ্রুপ তৈরি করে ভয়েস চ্যাট, ভিডিও কল এবং স্ক্রিন শেয়ারিংয়ের চমৎকার সুবিধা পাওয়া যায়। তবে সাধারণ চ্যাটের চেয়ে প্রফেশনাল বা গ্রুপ কমিউনিটির জন্য এটি বেশি উপযোগী।

সারাবাংলা/এনএল/এএসজি
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর