
ঢাকা: রাজধানীর উত্তরায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের দুর্ঘটনায় দগ্ধের দেখতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে আসেন উপদেষ্টা মন্ডলীরা।
সোমবার (২১ জুলাই) বিকেলে রোগীদের দেখতে আসেন তারা।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আজ মাইলস্টোনে কিন্ডারগার্টেনে যেই দুর্ঘটনা ঘটেছে, আমরা সবাই মর্মাহত ও শোকাহত। আমরা ৬ জন উপদেষ্টা বার্ন ইনস্টিটিউটে এসেছি। বাকি উপদেষ্টারা মাইলস্টোন কিন্ডারগার্টেনে গেছেন। সিএমএইচ হাসপাতালে গেছে। বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে চিকিৎসকরা আমাদের জানিয়েছেন, চিকিৎসার বিষয়ে যতটুকু সম্ভব তারা করছে। চিকিৎসার কোনো ঘাটতি থাকবে না। যদিও কোনো কিছুর বিনিবময়েও আমরা আজকে যা হারিয়েছি, তা পাওয়া সম্ভব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক দিবস পালন হবে। পতাকা অর্ধনিমিত থাকবে। প্রধান উপদেষ্টা বারবার ফোন দিয়ে খবর নিচ্ছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা কেন ঘটল? আমরা অবশ্য তদন্ত করে বের করব।’
প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. সাইদুর রহমান বলেন, ‘এই দুর্ঘটনায় প্রায় ১০০ জনের মত আহত হয়েছে। এরমধ্যে ৪৮ জনকে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়েছে। সিএমএইচ হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে ১১ জনকে, কুর্মিটোলায় আনা হয়েছে দুজনকে, বার্ন ইনস্টিটিউটে একজনকে ও ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে একজনকে আনা হয়েছে। মোট ১৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। ৭০ জনের মত বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। এরমধ্যে ৪৮ জন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
তিনি বলেন, ‘একজন পাইলট, যিনি ছিলেন ওই বিমানে, উনাকে সিএমএইচ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে আইসিইউতে আছে, উনার জীবনও সংকটের মুখে। অনেকের রক্তের প্রয়োজন হবে। যারা রক্ত দিতে আগ্রহী তারা মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে হাসপাতালের সামনে রক্ত দিতে আসবেন। এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার দফতর থেকে একটি হটলাইন খোলা হয়েছে। যার নাম্বার ০১৯৪৯০৪৩৬৯৭। হাসপাতালের সামনে হেল্প ডেস্ক খোলা হবে। রুই সব রোগীদের সংক্রমণ দ্রুত ছড়ায়, দয়া করে কেউ ভেতরে প্রবেশ করবেন না।‘