চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কখনো মাঝারি, কখনো মৃদু এই শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কনকনে শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ। এর তিন ঘণ্টা আগে ভোর ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ।
রাত নামলেই শীতের তীব্রতা বাড়ছে। গত দু’দিন সূর্যের দেখা মিললেও শীতের প্রকোপ কমেনি। কনকনে শীতে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুররা। কাজ না থাকায় তাদের অনেককে কর্মহীন দিন কাটাতে হচ্ছে।
প্রচণ্ড শীতে শিক্ষার্থীরাও ভোগান্তিতে পড়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে হেঁটে যাতায়াত করছে। ফলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি কমে গেছে।
শীতের প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যেও। ব্যবসায়ীরা জানান, বেলা ১১টার আগে তেমন ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। একই সঙ্গে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও লেনদেনের পরিমাণ কমে গেছে।