কুড়িগ্রাম: জেলার নাগেশ্বরী উপজেলায় এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি বানিয়ারভিটা গ্রামে থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান নাগেশ্বরী থানার ওসি আব্দুল্লাহ হিল জামান।
নিহত মহিমা বেগম ওই গ্রামের বাবলু মিয়ার স্ত্রী। রাতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ঘুমিয়েছিলেন বলে জানান স্বজনরা।
স্থানীয় প্রতিবেশী ইজিবাইক চালক মোস্তফা বলেন, ‘রাত আড়াইটার দিকে বাবুল ভাইয়ের বাড়ি থেকে গরু জবাই করার মত গোঙানির শব্দ পাই। তাৎক্ষণিক দৌড়ে গিয়ে বাড়ির গেইটে ডাকাডাকি করি।’
‘তবে কেউ সাড়া দেননি। ঘুমে অনেক সময় বোবা ধরে, এটা ভেবে ফিরে আসি। সকালে আমার মা ডেকে বলেন, ভাবিকে কে জানি হত্যা করেছে, কিন্তু বাবুল ভাই বাড়িতে নাই।’
একই এলাকার কফিল মিয়া জানান, ‘মৃত্যুর খবর শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি বাবুলের বউয়ের দেহের বিভিন্ন স্থানে কাঁটা কাঁটা চিহ্ন অবস্থায় মরদেহ পড়ে আছে।’
ভিতরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন, ‘বাবুল মাছ ব্যবসায়ী। আমার জানা মতে, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল। তাদের দুই ছেলে এক মেয়ে। কি কারণে এরকম ঘটনা ঘটল তা কেউ বুঝতে পারছেন না।’
বাবুলের দ্বিতীয় ছেলে মেহেদী বলেন, ‘আমার বাবাকে খুঁজে পাচ্ছি না, ফোনও বন্ধ। আমরা ঘুমে ছিলাম, কীভাবে কী হল, বুঝতে পারছি না।’
ওসি আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, নিহতের স্বামীকে ধরতে পারলে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।