কক্সবাজার: কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাধীন পাঁচ বছর বয়সী মেয়েকে রেখে কহিনুর আক্তার (৩০) নামের এক নারী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় তার শ্বশুর কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পরিবার আশঙ্কা, কোনো নারী পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে তিনি নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের পূর্ব টাইপালং এলাকার বাসিন্দা নুরুল আলমের স্ত্রী কহিনুর আক্তার গত ৩ মার্চ অসুস্থ বড় মেয়ে মরিয়ম আক্তারকে (৫) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। শিশুটিকে হাসপাতালের পঞ্চম তলার শিশু ওয়ার্ডের ২ নম্বর ইউনিটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। ওই সময় মা ও মেয়ে দুজনই হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। পরদিন ৪ মার্চ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কহিনুর আক্তার ওষুধ আনার কথা বলে হাসপাতালের পঞ্চম তলা থেকে নিচে নামেন। এরপর থেকে তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা জানান, তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ নারীর শ্বশুর আলী আকবর (৬৩) কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন, অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কহিনুর আক্তারের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কহিনুর আক্তারের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ২ ইঞ্চি এবং গায়ের রং ফর্সা। নিখোঁজ হওয়ার সময় তিনি থ্রি-পিস ও কালো রঙের বোরকা পরিহিত ছিলেন এবং গলায় স্বর্ণের একটি নেকলেস ছিল।
পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ ছিলেন। হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ায় পরিবার উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ছমিউদ্দিন বলেন, লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করা হয়েছে। নিখোঁজ নারীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান বলেন, বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।