Saturday 02 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কক্সবাজারে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২ মে ২০২৬ ২১:২৬ | আপডেট: ২ মে ২০২৬ ২১:৩৪

কক্সবাজার সদর মডেল থানা, কক্সবাজার।

কক্সবাজার: জেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন স্থানে পৃথক তিনটি অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

শনিবার (২ মে) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালিত হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার নতুন বাহারছড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর বিআইডব্লিউটিএ ঘাটের ফেরির পল্টুনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় গফুর আলম (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

তল্লাশীকালে তার হাতে থাকা একটি হলুদ শপিং ব্যাগ থেকে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো দু’টি পলিথিন প্যাকেটে মোট ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গফুর আলম মহেশখালী উপজেলার বড়ডেইল এলাকার বাসিন্দা।

বিজ্ঞাপন

একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় একই এলাকার বিআইডব্লিউটিএ ঘাটের প্রবেশমুখে সাইফ স্টোরের সামনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তৌহিদুল জামান (২৪) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।

তার কাঁধে ঝোলানো ট্রাভেল ব্যাগ তল্লাশি করে ৫টি জিপারলক প্যাকেটে মোট ১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে ইয়াবা ছিল বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। আটক তৌহিদুল জামান মহেশখালীর পুটিবিলা এলাকার বাসিন্দা।

এর আগে, দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী ডলফিন মোড় এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালিত হয়। ইউনূস স্টোরের সামনে ফুটপাত থেকে মো. শাহ আলম (৪৬) নামে এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়।

তল্লাশীতে তার পরিহিত প্যান্টের ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় দু’টি প্যাকেটে মোট ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। শাহ আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভাদুঘর এলাকার বাসিন্দা।

তিনটি পৃথক ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছেন। আটক ব্যক্তিদের মাদকসহ কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মণ্ডল বলেন, ‘কক্সবাজার জেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।’

জেলায় ধারাবাহিক অভিযানে একদিনেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক উদ্ধার হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসা তৈরি হয়েছে। তবে স্থানীয়দের মতে, মাদক প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করতে সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানো জরুরি।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর