Friday 15 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

দেশজুড়ে কুষ্টিয়ার গরুর চাহিদা, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত খামারিরা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৫ মে ২০২৬ ১৭:৩৫

গরুর খামার।

কুষ্টিয়া: পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় কোরবানির পশু প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুষ্টিয়ার গরুর চাহিদা থাকায় এবারও প্রায় দুই লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়ার ছয়টি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৯ হাজার খামার রয়েছে। এসব খামারের পাশাপাশি অনেকেই ঘরোয়া পরিবেশে গরু পালন ও মোটাতাজা করেছেন। দেশীয় জাতের গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ায় এবার পশু পালনের প্রবণতাও বেড়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তারা জানান, এরইমধ্যে জেলার কয়েকটি পশুর হাটে কেনাবেচা শুরু হয়েছে। ঈদের আগেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুষ্টিয়ার গবাদিপশু সরবরাহ শুরু করবেন ব্যবসায়ীরা।

বিজ্ঞাপন

খামারিরা জানান, প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণের কারণে কুষ্টিয়ার গরুর প্রতি ক্রেতাদের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে হাটে তোলার প্রস্তুতির পাশাপাশি দুশ্চিন্তায়ও আছেন তারা। তাদের অভিযোগ, গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পেলে লোকসানের শঙ্কা রয়েছে।

জারিন এগ্রো ফার্মের ম্যানেজার রাশিদুল ইসলাম চমন বলেন, ‘কুষ্টিয়ার গরু দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করায় ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়। তবে কোরবানির আগে দেশের বাইরে থেকে যেন পশু আমদানি না করা হয় এবং চোরাই পথে গরু আসা বন্ধ করতে সরকার যেন নজরদারি জোরদার করে।’

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আল মামুন হাসান মণ্ডল বলেন, ‘এ বছর জেলায় ২ লাখ পশু প্রস্তুত রয়েছে। কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক বা ভেজাল খাদ্য ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে গবাদিপশু মোটাতাজাকরণে খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

এ ছাড়া তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার খামারিরা ন্যায্যমূল্য পাবেন।

সারাবাংলা/এআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর