Monday 19 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের ভেতরে আরেক রাষ্ট্র গড়তে দেওয়া হবে না: এসপি মাসুদ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৫ মে ২০২৬ ১৬:৩০
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

চট্টগ্রাম: জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। তিনি বলেছেন, ‘জঙ্গল সলিমপুরে কোনোভাবেই রাষ্ট্রের ভেতরে আরেক রাষ্ট্র গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না। শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা করবে।’

রোববার (২৪ মে) মধ্যরাতে জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের হামলার পর সোমবার (২৫ মে) সকালে ঘটনাস্থলে অভিযানে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, সন্ত্রাসীদের সাম্রাজ্য হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে। তাই তারা ঝাঁকুনি দেবে এটাই স্বাভাবিক। তাদের এটা করতে দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসীদের রুখতে যা যা করা দরকার সব করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘তাদের উদ্দেশ্য ছিল যেন আমরা এখানে স্থায়ীভাবে ক্যাম্প স্থাপন করতে না পারি। একই সঙ্গে আমাদের ফোর্সকে বিচ্ছিন্ন করে রাখারও চেষ্টা করেছে তারা।’ তিনি জানান, হামলার সময় সন্ত্রাসীরা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। পালটা প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যরা শর্টগান, চাইনিজ রাইফেল ও গ্যাস গান ব্যবহার করেন। মপুরো ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ১০৪ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে। ‘আমাদের সদস্যরা শক্তভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এজন্য সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পে প্রবেশ করতে পারেনি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- কোনো পুলিশ সদস্য হতাহত হয়নি।’

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাবের উপসহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন নিহত হন। একই ঘটনায় র‍্যাবের আরও তিন সদস্য এবং মনা নামে একজন সোর্স গুরুতর আহত হন। নিহত মোতালেব বিজিবির নায়েব সুবেদার ছিলেন এবং প্রেষণে র‍্যাবে কর্মরত ছিলেন।

র‍্যাবের দাবি, যাকে গ্রেফতার করতে টিমটি গিয়েছিল, তিনি একাধিক মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামি এবং অস্ত্র লেনদেন চক্রের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ ও র‍্যাব সূত্র জানায়, হামলাকারীদের মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, পাহাড়ি দখল গোষ্ঠী এবং অস্ত্র বেচাকেনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন থাকতে পারে।

গত ৯ মার্চ জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৩ হাজার ১৮৩ জন সদস্য এ অভিযানে অংশ নেয়। এ অভিযান শেষে এলাকাটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনে যৌথবাহিনী। সেখানে যৌথ বাহিনীর দুটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। সেই থেকে ওই এলাকা শান্ত থাকলেও রোববার রাতে আবার গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

সারাবাংলা/এসএন/এসএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর